
প্রথম দিনে একমাত্র করুণ নায়ার কিছুটা লড়াই করেছিলেন। তবে দ্বিতীয় দিনে এসে খুব বেশিদূর এগোতে পারেননি। নিজের স্কোরে মাত্র পাঁচ রান যোগ করে ‘৫৭ রানে থামল তাঁর ইনিংস’। তাঁর আউট হওয়ার পর ভারতের ব্যাটিং একেবারে ভেঙে পড়ে। ইংল্যান্ডের পেসারদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পেরে পুরো দল মাত্র ২২৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।
‘গত ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ওয়াশিংটন সুন্দরকে ঘিরে ছিল অনেক প্রত্যাশা’। কিন্তু তিনিও ‘২৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন’। এরপর ভারতের টেলএন্ডাররা কোনও প্রতিরোধই গড়তে পারেননি। মহম্মদ সিরাজ এবং আকাশ দীপ শূন্য রানে আউট হন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে মাত্র ২৭ মিনিটেই শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস।
গাস অ্যাটকিনসন দুর্দান্ত বোলিং করে “৩৩ রানে ৫টি উইকেট তুলে নেন”। করুণ নায়ার যেভাবে একটি সোজা বল মিস করে এলবিডব্লিউ হন, তা তাঁর পায়ে চলার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেয়।
ওয়াশিংটন সুন্দর আউট হন অ্যাটকিনসনের বলে, ক্যাচ নেন ওভার্টন। এরপর ভারতের ইনিংস ভেঙে পড়া যেন কেবল সময়ের অপেক্ষা ছিল। অ্যাটকিনসনের পাশাপাশি জোশ টং তিনটি এবং ক্রিস ওকস একটি উইকেট নেন।
তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ডও। “চোট পেয়ে সিরিজ থেকে ছিটকে যান ওকস”। আগের দিন বাউন্ডারি রক্ষা করতে গিয়ে বাঁ কাঁধে চোট পান তিনি, আর সেই চোটের কারণেই ‘আর মাঠে নামতে পারবেন না ওভালে’, জানিয়েছে ইসিবি।
প্রথম ইনিংসে কেএল রাহুলের উইকেটটি নিয়েছিলেন ওকস, সেটিই তাঁর শেষ শিকার। “৫৭তম ওভারে করুণ নায়ারের ড্রাইভ ঠেকাতে গিয়ে ডাইভ দিয়ে বাঁ কাঁধে আঘাত পান তিনি”। মাঠ ছাড়ার সময়ই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ম্যাচে আর ফেরা সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে।
তবু ওকসকে ছাড়াও ইংল্যান্ডের পেসারদের জোরে ভারতের বাকি চার উইকেট তুলে নিতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি।



