
ডেটিংয়ে ব্যয় করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক বেশি হিসেবি হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের কিশোর ও বিশের ঘরের তরুণ-তরুণীরা। জেন-জি’দের ওপর ব্যাংক অব আমেরিকার এক জরিপে দেখা গেছে, এই প্রজন্ম উচ্চ জীবনযাত্রার খরচ সামাল দিতে এমন পথ বেছে নিয়েছে।
১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সি ৯০০ জনের বেশি মানুষের ওপর সার্ভে চালানো হয়। বুধবার প্রকাশিত ওই জরিপে দেখা যায়, অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা ডেটিংয়ে কোনো খরচই করেননি। যারা খরচ করেছেন, তাদের মধ্যে ২৫% পুরুষ ও ৩০% নারী প্রতি মাসে ১০০ ডলারেরও কম খরচ করেছেন। উত্তরদাতারা জানিয়েছে, রোমান্টিক সঙ্গীর আর্থিক দায়িত্ব নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাংক অব আমেরিকার কনজ্যুমার, রিটেইল ও প্রেফার্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হলি ও’নিল বলেন, ‘জেন-জি তরুণ-তরুণীরা বুঝতে পারছে যে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক ব্যয়বহুল এবং তারা সামগ্রিকভাবে জীবনযাত্রার খরচ টের পাচ্ছে। তারা বাইরে কম খাচ্ছে, সাশ্রয়ী দোকান থেকে বাজার করছে এবং বাজেট ঠিক করে ব্যয় করছে।’
আরও পড়ুন :: যুক্তরাজ্যে বেতন বৃদ্ধিতে শীর্ষে যে ১০ পেশা
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকের বেশি বলেছেন, তারা এখন বেশি সঞ্চয় করছেন। ২৪% বলেছেন তারা দেনা শোধে অর্থ ব্যয় করছেন যাতে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকের বেশি বলেছেন, তারা এখন বেশি সঞ্চয় করছেন। ২৪% বলেছেন তারা দেনা শোধে অর্থ ব্যয় করছেন যাতে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়।
আমেরিকাতে কফি থেকে শুরু করে অডিও সরঞ্জাম ও গৃহসামগ্রীর দাম বাড়ার কারণে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি প্রমাণ করে ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তি আমদানি শুল্ক সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
অর্ধেকেরও বেশি উত্তরদাতা মনে করেন, তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত জীবনযাপন করার মতো পর্যাপ্ত আয় করেন না। ৫৫% উত্তরদাতার জরুরি প্রয়োজনে তিন মাসের খরচ চালানোর মতো সঞ্চয় নেই বলেও উঠে এসেছে।
তবে পরিবার থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া জেনজি তরুণ-তরুণীর হার ৪৬% থেকে কমে ৩৯%-এ নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে জরিপটি। সহায়তার পরিমাণও কমেছে। এখন মাত্র ২২% জেনজি প্রতি মাসে ১,০০০ ডলার বা তার বেশি পাচ্ছে। যেখানে বছরখানেক আগেও এই হার ছিল ৩২%। বর্তমানে অর্ধেকেরও বেশি তরুণ মাসে ৫০০ ডলারেরও কম পাচ্ছে।



