রাজনীতিরাজ্য

‘আহ্বায়ক’ পদে ফের সক্রিয় অনুব্রত, মমতার ছবিতে কালির প্রতিবাদে তৃণমূলের নতুন কর্মসূচি

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Anubrata Mondal : ‘আহ্বায়ক’ পদে ফের সক্রিয় অনুব্রত, মমতার ছবিতে কালির প্রতিবাদে তৃণমূলের নতুন কর্মসূচি - West Bengal News 24

‘আহ্বায়ক’ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ফের সক্রিয় ভূমিকায় অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে কালি দেওয়া ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি বিরোধী কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে তাঁর তরফে। সোমবার জেলাজুড়ে ‘ধিক্কার মিছিল’-এর আয়োজন করা হবে বলে জানান অনুব্রত। একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ‘ভাষা আন্দোলন’ ঘিরেও কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুব্রতর ডাকে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাজল শেখ, শতাব্দী রায়-সহ কোর কমিটির ৯ জন সদস্য। তবে ব্যস্ততার কারণে বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ।

শনিবার সিউড়িতে একটি ছবিতে কালি লাগানো হয়, যা মুখ্যমন্ত্রীর ছিল বলে জানা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ায় জেলা তৃণমূল। পুলিশ প্রশাসনকে ঘিরেও প্রশ্ন তোলেন কোর কমিটির আহ্বায়ক ও প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, “সিউড়িতে যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই নিন্দনীয় ঘটনা৷ আমরা দীর্ঘদিন বিরোধী দলে রাজনীতি করেছি৷ জ্যোতিবাবুর আমলে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আমলে। কিন্তু, কোন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি লাগাইনি৷ এটা আমাদের শিক্ষা ছিল না৷ আজ কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আছে, বিজেপির কোনও নেতার ছবিতে আমরা কালি লাগাই না। এটা কোনও ভদ্রতা নয়।”

রবিবারের বৈঠক থেকেও অনুব্রত একই বার্তা দেন। তিনি বিজেপিকে নিশানা করে সোমবার জেলার সর্বত্র ধিক্কার মিছিল করার কথা ঘোষণা করেন। জেলার প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই কর্মসূচি পালিত হবে বলেই জানান তিনি। নিজে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান।

বৈঠকের পরে মন্ত্রী ও বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এখন অগ্রাধিকার বাংলা ভাষা রক্ষায়। তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী যে দিকনির্দেশ দিয়েছেন, তার ভিত্তিতেই কর্মসূচি তৈরি হচ্ছে। আগামী শনিবার থেকে প্রতি শনি-রবিবার ব্লকে ব্লকে হয় ধরনা নয়তো মিছিল হবে।”

সবমিলিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া দিকনির্দেশ অনুযায়ী জেলা জুড়ে দলীয় কর্মসূচি চালাতে যে কোর কমিটি বিশেষ সক্রিয় হয়েছে, তা এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট হয়েছে। অনুব্রতর নেতৃত্বে বৈঠকে অধিকাংশের উপস্থিতিই এই বার্তা দিয়েছে যে, বীরভূমে এখনও তৃণমূলের সংগঠনের রাশ কার্যত তাঁর হাতেই রয়েছে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button