পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণে শিয়ালদহ ডিভিশনের বিশেষ সিদ্ধান্ত, প্রতিটি স্টেশনে থামবে সব লোকাল ট্রেন
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

চলতি মাসের শেষে শুরু হচ্ছে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। কলকাতার পুজো দেখতে শহরতলি ও আশপাশের জেলা থেকে অনেক মানুষ আসে। এ সময় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম থাকে লোকাল ট্রেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ পুজোর দিনগুলোতে ট্রেনে করে কলকাতায় আসে। ফলে শিয়ালদহ স্টেশনে যাত্রীদের চাপ প্রচণ্ড থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিয়ালদহ বিভাগ আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। এদিন ডিআরএম ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক হয়।
পুজোর সময়, অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত কোনও গ্যালপিং লোকাল ট্রেন থাকবে না। শিয়ালদহের সব শাখায় সব স্টেশনে সব লোকাল ট্রেন থামবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ট্রেন চলাচলের সময়সীমাও বৃদ্ধি পাবে। শিয়ালদহ স্টেশনে ২১টি টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। এছাড়া ১০টি অতিরিক্ত মোবাইল ইউটিএস এবং ১৭টি এটিভিএম সক্রিয় থাকবে। সারাদিন পরিষেবা সচল রাখার জন্য একজন অতিরিক্ত সার্ভিস ইঞ্জিনিয়র মোতায়েন থাকবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কাউন্টার পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত বুকিং ক্লার্কদের অস্থায়ীভাবে মোতায়েন করা হবে।
স্টেশনের বাইরে গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ করা হবে। বিকাল ৫টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ট্রলি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। শিয়ালদহ স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশের অংশ করোনা পরবর্তী সময়ে বন্ধ থাকলেও পুজোর জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ওই অংশে চারটি টিকিট কাউন্টার ও ৪টি এটিভিএম থাকবে। প্রতিমা দর্শনের জন্য লোকজন ওই পথ ব্যবহার করতে পারবেন।
মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ধার্য করা হয়েছে। পুজোর দিনগুলোতে ৯ ও ১১ থেকে ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এই ট্রেনগুলো এসে থামবে ও ছাড়বে। জরুরি ভিত্তিতে অন্যান্য স্টেশনের দিকে নজরদারি থাকবে। শিয়ালদহ – কল্যাণী এবং শিয়ালদহ-সোনারপুরের মধ্যে রাতে বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যাত্রীদের চাপ কমাতে প্রয়োজন হলে আরও রেক চালানো হতে পারে।



