সাহিত্য

কবি সুদীপ চন্দ্র হালদারকে “ভারত প্রতিভা সম্মান – ২০২৫” প্রদান

কবি সুদীপ চন্দ্র হালদারকে “ভারত প্রতিভা সম্মান – ২০২৫” প্রদান - West Bengal News 24

কবি ও গবেষক সুদীপ চন্দ্র হালদারকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদাপূর্ণ “ভারত প্রতিভা সম্মান – ২০২৫”। গতকাল, বুধবার বিকালে নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহশালা প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর কিন্তু মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল ভারত প্রতিভা সম্মান কাউন্সিল, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমান লোকসভার সদস্য। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দুই বিশিষ্ট পদ্মশ্রী প্রাপ্ত – অধ্যাপক (ডা.) কমল কুমার শেঠী ও বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী শোভনা নারায়ণ।

এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ২৫ জন গুণী ব্যক্তিত্বকে, তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাটি পদ্মশ্রী পুরস্কারের আদলে তৈরি এক বিশেষ স্মারক ও মানপত্রের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

অনুরাগ ঠাকুর তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ভারত প্রতিভা সম্মান প্রাপ্ত প্রত্যেকে তাঁদের কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছেন। সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে প্রকৃত কাজের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া।”

তিনি দুখু মাঝিকে দেওয়া পদ্মশ্রী পুরষ্কাররের প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, এখন সময় এসেছে প্রকৃত কর্মীদের সম্মান জানানোর।

শ্রীমতি শোভনা নারায়ণ বলেন, “এই স্বীকৃতি প্রাপ্তি গর্বের, তবে এই সম্মান যেন সবার কর্মযজ্ঞকে আরও গতিশীল করে তোলে।” আর ডা. কমল কুমার শেঠী সমাজসেবায় অধিকতর সক্রিয় হবার আহ্বান জানান সবাইকে।

সম্মাননা প্রাপ্তির পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কবি সুদীপ চন্দ্র হালদার বলেন, “ভারত এগিয়ে যাচ্ছে, ভারত এগিয়ে যাবে। মহান ভারত বিশ্বগুরু হবে। আজকের এই সম্মান শুধু ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, বরং এটি আরও বড় দায়িত্বের প্রতীক।” তিনি বলেন, “আজকে জাতীয় ভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত সবাই ভারতকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি আমার কাজের মধ্য দিয়ে এই অগ্রগতির পথে সামান্য হলেও কিছু অবদান রাখতে চাই। এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আমাকে আরও দায়বদ্ধ করেছে।”

অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজন করা হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের, যেখানে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। গানে, নৃত্যে ও কাব্যের মধ্য দিয়ে গোধূলি হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় মিলনমেলা।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য