পুজোর আগে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ‘পাহাড়ের রানি’ দার্জিলিং! থাকছে নয়া আয়োজন
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

দীর্ঘ ছুটি মানেই পুজো এবং সেই সঙ্গে ঘুরে আসার পরিকল্পনা। উৎসবের মরশুমে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেক বাঙালিরই প্রথম পছন্দ পাহাড়। আর তাদের জন্য এ বছর বিশেষ চমক নিয়ে হাজির দার্জিলিং।
বর্ষার দুঃসময় কাটিয়ে উৎসবের আগেই ফের রঙিন হয়ে উঠছে পাহাড়ি শহর। ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে সব পর্যটনকেন্দ্র। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করছে জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এবং লামাহাট্টা হোম স্টে অ্যাসোসিয়েশন। ‘হ্রদ উৎসব’ নামের এই আয়োজনে থাকবে বোটিংয়ের সুযোগ থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সব মিলিয়ে পর্যটকদের জন্য রঙিন অভিজ্ঞতা। তাই ওই সময়ে গেলে ভ্রমণ আরও উপভোগ্য হবে।

জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের যুগ্ম সচিব দাওয়া শেরপা জানিয়েছেন, “এই বছর আমরা পর্যটকদের জন্য বিশ্ব পর্যটন দিবসের দিনে লামা হাট্টায় হ্রদ উৎসবের আয়োজন করেছি। এছাড়াও দার্জিলিং পাহাড়কে আবর্জনামুক্ত পাহাড় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।”
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকের কথায়, ”বর্তমানে পাহাড়ে আবর্জনা সংগ্রহের কর্মসূচি চলছে। দিনে ১০ কিলোমিটার ট্রায়াল রানও চলবে। লামাহাটাকে এই বছর ‘ক্লিন ভিলেজ’-এর মর্যাদা দেওয়া হবে।”

প্রতি বছর বর্ষাকালে পাহাড়ের বহু পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় তিন মাস প্যারাগ্লাইডিং, রাফটিং, টেস্ট স্ট্যান্ড ইত্যাদি বন্ধ থাকে। তবে বুধবার থেকে আবার শুরু হয়েছে এসব অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস। ফলে পুজোয় পর্যটকেরা চাইলে এগুলির মজাও নিতে পারবেন।
জিটিএ কর্তারা জানান, ”লামাহাটা দার্জিলিং পাহাড়ের সেরা পর্যটন কেন্দ্র। ২০১৪ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে পর্যটকদের জন্য একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে তৈরি এই পর্যটন কেন্দ্রটি লেপচা জগৎ এবং লামাহাটার অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।”



