
পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার হরমনপ্রীত কৌরদের হাতেও এল নতুন ইতিহাস। মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথমবারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হল ভারতীয় মহিলা দল। এতদিন অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের আধিপত্য দেখা গিয়েছিল, নিউজিল্যান্ডও একবার শিরোপা জিতেছে। তবে এই প্রথমবার এশিয়ার মাটিতে উঠল মহিলা বিশ্বকাপের ট্রফি। ট্রফি তুলে হরমনদের দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই আনন্দে ভরে উঠেছে চারদিক। পাশাপাশি পুরুষদের কীর্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটও।
২০২৪ সালে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। এবার ঘরের মাঠে মহিলা বিশ্বকাপেও ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে ৫২ রানে জয় ছিনিয়ে নেন হরমনরা। সেই ফাইনাল ম্যাচ সম্প্রচার হয়েছে জিওহটস্টারে, যা দেখেছেন প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন দর্শক অর্থাৎ প্রায় ১৯ কোটি মানুষ। তথ্য অনুযায়ী, পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের দর্শকসংখ্যাও ছিল এই কাছাকাছি। এমনকি আইপিএলের প্রতিদিনের গড় দর্শকের থেকেও বেশি ছিল এই সংখ্যা।
এই টুর্নামেন্ট জুড়ে মোট ভিউয়ারশিপ ছিল ৪৪৬ মিলিয়ন। তার মধ্যে শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচ লাইভ একসঙ্গে দেখেছিলেন প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ দর্শক এবং সিটিভি-তে দেখেছিলেন প্রায় ৯ কোটি ২০ লক্ষ। এই সাফল্য নিয়ে জিওস্টারের স্পোর্টস বিভাগের সিইও ঈশান চ্যাটার্জি বলেন, “আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৫ ভারতে মহিলা ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান মর্যাদাকে পুনরায় প্রমাণ করেছে। বিশেষ করে ভারতীয় দলের অসাধারণ পারফরম্যান্স রেকর্ডসংখ্যক দর্শক আকর্ষণ করেছে। যা ভক্তদের আগের চেয়েও বেশি উৎসাহী করে তুলবে। এই সাফল্য আইসিসি ও বিসিসিআই, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং যারা মহিলা ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ব্র্যান্ডগুলির সম্মিলিত অর্জন।”
ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা গোটা বিশ্বকাপে মহিলা ক্রিকেট দলের উত্থান-পতনের সঙ্গী ছিলেন। প্রতিটি ম্যাচেই স্টেডিয়াম ভর্তি ছিল দর্শকে। যারা মাঠে যেতে পারেননি তাঁরা টিভি ও মোবাইলে নজর রেখেছেন। ভারতের খেলা উপভোগ করেছেন। ফলে টুর্নামেন্ট চলতে চলতেই ভিউয়ারশিপের নতুন মাইলস্টোন তৈরি হয়।



