রাজ্য

ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে নিউটাউনে ‘দুর্গা অঙ্গন’, শিলান্যাস করলেন মমতা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Mamata Banerjee : ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে নিউটাউনে ‘দুর্গা অঙ্গন’, শিলান্যাস করলেন মমতা - West Bengal News 24

বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজোকে ঘিরে উন্মাদনা এবার আর শুধু কয়েক দিনের নয় সারা বছর জুড়েই দুর্গার আরাধনা সম্ভব হবে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সোমবার বিকেলে নিউটাউনে বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে ‘দুর্গা অঙ্গন’-এর শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি, ভোটের আগে ‘হিন্দুত্ব’ নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষেরও কড়া জবাব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, ”আমি সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। সব ধর্মের সব অনুষ্ঠানে থাকি। কারণ, আমি মনে করি ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। জানেন এই দুর্গা অঙ্গন কেন তৈরি হচ্ছে? যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের বলি। ইউনেস্কো আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোকে কালচারাল হেরিটেজের তকমা দিয়েছে। তাদের স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে এই দুর্গা অঙ্গন তৈরি করা হল। সেই সঙ্গে সারাবছর এখানে মা দুর্গার দর্শন ও নিত্যপুজো হবে।” তাঁর কথায়, আগামী দু’ বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

শিলান্যাসের দিনই দুর্গা অঙ্গনের রূপরেখা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। নিউটাউনের ইকো পার্ক সংলগ্ন ১৭.২৮ একর জমিতে গড়ে উঠবে এই অঙ্গন। চারপাশে থাকবে ২০ ফুট চওড়া রাস্তা। প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে উঠোনে একসঙ্গে হাজার জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হবে। পরিকল্পনায় রয়েছে ১০৮ দেবদেবীর মূর্তি, ৬৪টি সিংহমূর্তি। বছরভর খোলা থাকবে অঙ্গন, নিত্যপুজোর ব্যবস্থাও থাকবে। লক্ষ্মী ও সরস্বতীর জন্য আলাদা মণ্ডপ, পৃথক প্রসাদ তৈরির ঘর এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ পরিসর গড়ে তোলা হবে। মন্দির চত্বরে দোকানপাট তৈরি হওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ২৬১ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা; এর মধ্যে রাজ্যের তরফে বরাদ্দ ১৭০ কোটি টাকা। গোটা কাজটি বাস্তবায়িত হবে হিডকোর তত্ত্বাবধানে।

প্রকল্পের পরিসর বাড়ানোর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”প্রথমে যখন জায়গাটা দেখেছিলাম তখন ছিল ১২.৬ একর জমি। কিন্তু আমি ভাবলাম, দুর্গা অঙ্গন হচ্ছে যখন, বড় করে, ভালো করেই হোক। এখন মোট প্রায় ১৮ একর জমিতে গড়ে উঠছে। এই জায়গা বেছে নিলাম কেন? এর সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিমানবন্দর থেকে এখানে লোকজন আসতে পারবে সহজে।” তাঁর মতে, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য মেলবন্ধন হিসেবেই গড়ে উঠবে দুর্গা অঙ্গন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য