দার্জিলিং

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর, মন্দিরে থাকছে কী কী?

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Mamata Banerjee : শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর, মন্দিরে থাকছে কী কী? - West Bengal News 24

‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। শুভ তিথি মেনে শুক্রবার শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার লক্ষ্মী টাউনশিপ এলাকায় মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, এই মহাকাল মন্দির শিলিগুড়ির পর্যটন মানচিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

মোট ১৭.৪১ একর জমির উপর মাটিগাড়ার লক্ষ্মী টাউনশিপ এলাকায় গড়ে উঠবে এই মন্দির কমপ্লেক্স। মন্দির নির্মাণের দায়িত্বে থাকবে ট্রাস্ট। শিলান্যাস অনুষ্ঠানের আগেই মন্দির কমপ্লেক্সের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মূল রাস্তা থেকেই মন্দিরটি দৃশ্যমান হবে এবং প্রতিদিন অন্তত এক লক্ষ দর্শনার্থী এখানে আসতে পারবেন।

মন্দির কমপ্লেক্সে মূল উপাসনালয়ের পাশাপাশি থাকবে বিশ্বের সর্বোচ্চ মহাকাল মূর্তি। এই মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট। ব্রোঞ্জ দিয়ে নির্মিত মূল মূর্তির উচ্চতা ১০৮ ফুট, যা আরও ১০৮ ফুট উঁচু ভিত্তির উপর স্থাপিত হবে। এছাড়াও মন্দির প্রাঙ্গণে থাকবে মহাকাল মিউজিয়াম এবং একটি সাংস্কৃতিক হল।

Mamata Banerjee : শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর, মন্দিরে থাকছে কী কী? - West Bengal News 24

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মন্দিরের পূর্ব ও পশ্চিম দিকে থাকবে দুটি নন্দীগৃহ। সীমানা বরাবর নির্মিত হবে ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির, যেখানে সারা ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের প্রতিরূপ রাখা হবে। দুটি প্রদক্ষিণ পথ দিয়ে একসঙ্গে প্রায় ১০ হাজার ভক্ত চলাচল করতে পারবেন।

মন্দিরের চার কোণে চার দেবতার অধিষ্ঠান থাকবে দক্ষিণ-পশ্চিমে গণেশ, উত্তর-পশ্চিমে কার্তিক, উত্তর-পূর্বে শক্তি এবং দক্ষিণ-পূর্বে বিষ্ণু-নারায়ণ। দু’দিকে থাকবে দুটি সভামণ্ডপ, যেখানে প্রতিদিন ৬ হাজারের বেশি মানুষ বসতে পারবেন। মন্দিরে মহাকালের কাহিনি ও মহিমা তুলে ধরার বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হবে।

এছাড়াও কমপ্লেক্সে থাকবে রুদ্রাক্ষ কুণ্ড ও অমৃত কুণ্ড, যেখান থেকে ভক্তেরা অভিষেকের পবিত্র জল সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। মন্দির চত্বরে প্রসাদ বিতরণ কেন্দ্র, স্যুভেনিয়ার শপ, ক্যাফেটেরিয়া এবং ডালা কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, পুরোহিতদের থাকার ব্যবস্থাও থাকবে মন্দির প্রাঙ্গণের মধ্যেই।

শিলান্যাস মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাকে এক নম্বরে করব বলেছি, করেই ছাড়ব।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য