
পঁচিশ সালেই হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত মিলেছিল বলে কানাঘুষো শোনা যায়। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে ঘাটালে দেবের কাছে পরাজয়ের পর গেরুয়া শিবিরের নেতা-অভিনেতাকে রাজনৈতিক ময়দানে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি, তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে গুঞ্জন ছিল অন্য। শোনা যাচ্ছিল, সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতির কারণেই প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছিল তাঁর। সেই আবহেই ইন্ডাস্ট্রির ‘মাচো মস্তানা’র সঙ্গে এক রহস্যময় নারীর সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধে। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিয়ে দ্বিতীয়বার বিয়ে সারলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
তবে জীবনের এই নতুন অধ্যায় কলকাতায় নয়, বহু দূরে বারাণসীতেই শুরু করলেন অভিনেতা। মা গঙ্গাকে সাক্ষী রেখে বিশেষ বান্ধবীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন তিনি। বারাণসীর ঘাট থেকে ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, কনে লাল বেনারসিতে সজ্জিত, আর হিরণ ছিলেন ছিমছাম হলুদ পাঞ্জাবিতে। স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয় পাত্রীর পরিচয় ঘিরে। জানা যায়, হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ঋত্বিকা গিরি। পেশায় তিনি মডেল। মঙ্গলবার ফেসবুকে নিজেই বিয়ের সুখবর শেয়ার করেছিলেন হিরণ, যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই পোস্ট মুছে দেন।
View this post on Instagram
প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে হিরণের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে এ কথা সকলেরই জানা। তবে খবর, একমাত্র মেয়ের সঙ্গেও নাকি গত এক বছর ধরে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল। রাজনৈতিক কাজের সূত্রে প্রায় এক বছর খড়্গপুরে থাকতেন নেতা-অভিনেতা, সেই সময়ই পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ফাটল স্পষ্ট হয় বলে দাবি। এই প্রেক্ষাপটেই ২০২২ সালে ভাইরাল হয়েছিল অনিন্দিতার একটি পোস্ট, যেখানে লেখা ছিল, “বাবা সদ্যোজাত সন্তানকে রেখে চলে যেতে পারে। ২২ বছর পর বিয়ে-বউকে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। এমনকী সন্তানের মানসিক অবস্থার প্রতিও উদাসীন হতে পারে…।” নতুন বছরের শুরুতেই দ্বিতীয়বার দাম্পত্য জীবন শুরু করে সিনে দুনিয়া থেকে রাজনৈতিক মহল—সব জায়গাতেই চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।



