
নদীয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৪,২৫ ও ২৬ জানুয়ারি ‘নান্দনিক নদীয়া ভাষা উৎসব ও মেলা ২০২৬’-এর আয়োজন করা হয়েছিল। ২৪ জানুয়ারি কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবনে ভাষা উৎসবের উদ্বোধন হয়।
উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক অমর মিত্র, লেখক সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সভাধিপতি তারান্নুম সুলতানা মীর, জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত, পুলিশ সুপার অমরনাথ কে, জেলার একাধিক বিধায়ক-সহ বহু বিশিষ্টজন।
এদিন উদ্বোধন মঞ্চ থেকে ‘নান্দনিক নদীয়া ভাষা উৎসব ও মেলা স্মরণিকা’ প্রকাশ পায়। প্রায় শতাধিক নিবন্ধ, কবিতা ও গল্প সংকলিত স্মরণিকাটি সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন লেখক দীপাঞ্জন দে। শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষা-সাহিত্য-কৃষ্টির প্রতি উৎসাহিত করতে ভাষা উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

আবৃত্তি, ক্যুইজ, বসে আঁকো, বিতর্ক এবং চিঠি লেখা প্রতিযোগিতায় বহু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এবারের ভাষা উৎসবে আলোচক হিসেবে চারজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক এসেছিলেন। প্রথম দিন ছিলেন অমর মিত্র ও সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, দ্বিতীয় দিনে প্রচেত গুপ্ত এবং তৃতীয় দিনে ছিলেন শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভাষা উৎসবের তিনদিন রবীন্দ্রভবন প্রাঙ্গণে জেলার লিটল ম্যাগাজিনের প্রায় ৫০টি স্টল ছিল। এছাড়া ভাষা উৎসবের তিনদিন সন্ধ্যায় কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে আমন্ত্রিত শিল্পীদের নিয়ে জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
উল্লেখ্য, নান্দনিক নদীয়া ভাষা উৎসবের প্রথম দিন নদীয়া জেলা প্রশাসন জেলার ইতিহাস-সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ে এক সমৃদ্ধ দলিল হিসেবে ‘নদীয়া’ শীর্ষক একটি বৃহৎ গ্রন্থ প্রকাশ করে, যার লেখক ইতিহাসবিদ দীপাঞ্জন দে। নান্দনিক নদীয়া ভাষা উৎসবের সামগ্রিক পরিকল্পনায় ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক অনুপকুমার দত্ত।



