রাজ্য

নাম বিভ্রাটে এআইয়ের প্রভাব, বৈধ ভোটারের হয়রানির প্রসঙ্গ তোলায় মমতাকে ধন্যবাদ প্রধান বিচারপতির

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

নাম বিভ্রাটে এআইয়ের প্রভাব, বৈধ ভোটারের হয়রানির প্রসঙ্গ তোলায় মমতাকে ধন্যবাদ প্রধান বিচারপতির - West Bengal News 24

এসআইআর প্রক্রিয়ায় নামের বিভ্রাটের জেরে বহু বৈধ ভোটার হয়রানির শিকার হচ্ছেন এই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে ওঠায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকার প্রশংসা করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। শুনানির সময় আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ফলে তৈরি হওয়া সমস্যার কথাও।

বুধবার শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেই সওয়াল করেন তিনি। সেই সময় প্রধান বিচারপতি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “আপনার পিটিশনে কিছু বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এই বিষয়টি উত্থাপন করার জন্য যে, স্থানীয় ভাষায় জন্য কিছু সমস্যা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে এখন। আমরা কিছু একটা উপায় বার করব।”

এর আগেই নামের বিভ্রান্তি নিয়ে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন মমতার আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান। তিনি বলেন, “কারও পদবি গাঙ্গুলি, রে বা চ্যাটার্জি। ২০০২ ভোটার তালিকা বাংলায় রয়েছে। ইংরাজি তর্জমায় বানান বদলে গিয়েছে। তাই এই বিভ্রাটকে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকায় রাখা যায় না।” এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই প্রধান বিচারপতি কান্ত মন্তব্য করেন, “এই বিষয়টি মাথায় রেখেই বলছি, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়।”

সওয়ালের সময় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এসআইআর কার্যত নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। বিভ্রান্তি শুধু পদবির ক্ষেত্রেই নয়, পুরো প্রক্রিয়াটিই অপরিকল্পিত বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ধরুন, কোনও মহিলার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর উনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন। সেখানে এখন স্বামীর পদবি ব্যবহার করেন। সেখানেও বিভ্রান্তি।”

এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, “এভাবে চলতে পারে না!” এরপর মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “এটা ওরা (নির্বাচন কমিশন) করছে। বিয়ের পর যে সব মহিলা শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। গরিব মানুষেরাও স্থানান্তরিত হন। আপনারা আধার নিতে বলেছিলেন। বাংলার মানুষ খুব খুশি হয়েছিল। অন্য রাজ্যে ডমিসাইল সার্টিফিকেট, জাতি শংসাপত্রও নেওয়া হয়েছে। ভোটের মুখে বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে। চার রাজ্যে ভোট। কেন ২৪ বছর পর এত তাড়াহুড়ো করে তিন মাসের মধ্যে এসআইআর শেষ করা হচ্ছে? ১০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। মারা গিয়েছেন বিএলও-রা। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি। অসমে কেন এসআইআর হচ্ছে না?”

আরও পড়ুন ::

Back to top button