কলকাতারাজনীতি

“দিল্লিতে ভাইয়া গেছেন, এবার পালা দিদির” কলকাতায় রেখা গুপ্তার মন্তব্যে রাজনৈতিক তরজা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Rekha Gupta on Mamata Banerjee : “দিল্লিতে ভাইয়া গেছেন, এবার পালা দিদির” কলকাতায় রেখা গুপ্তার মন্তব্যে রাজনৈতিক তরজা - West Bengal News 24

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে রাজ্যে। এই আবহেই রবিবার কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একই মঞ্চে তুলে ধরে বিজেপি নেত্রীর মন্তব্য, ”দিল্লি থেকে বিদায় নিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, এবার পালা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের নাম পরিবর্তন নিয়েও তিনি সমালোচনা করেন। এই মন্তব্য ঘিরেই পালটা কটাক্ষ শানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

অনুষ্ঠানে উপস্থিতির সংখ্যা নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “সায়েন্স সিটির অডিটোরিয়াম নেওয়ার দরকার কী, যদি অর্ধেক ফাঁকাই থাকে! পুরসভার যে কোনও একটা ওয়ার্ডের কমিউনিটি হল নিলেই মিটে যায়। বিজেপির মহিলা সম্মেলন! মঞ্চে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, এ রাজ্যের ওদের দলের সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা। ফাঁকা চেয়ারের সংখ্যা বেশি। এতেই বোঝা যায় সংগঠনের কী হাল।”

কলকাতার সায়েন্স সিটির বিশাল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘শক্তিস্বরূপা নারী সমাবেশ’-এ উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা যাদব। এছাড়াও মঞ্চে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি ফাল্গুনী পাত্র। তবে অনুষ্ঠানে দর্শকাসনের বেশিরভাগ চেয়ার ফাঁকা থাকায় তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অডিটোরিয়াম পুরোপুরি ভর্তি হয়নি বলেও দেখা যায়।

সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেখা গুপ্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘দিদি’ এবং আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ‘ভাইয়া’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ”দিল্লিতে ছিলেন ভাইয়া আর বাংলায় দিদি। ভাইয়াকে বিদায় জানানো হয়েছে। এবার পালা দিদির।” এখানেই থেমে না থেকে কেজরিওয়াল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একইসঙ্গে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, ” দু’জনেই এক রকম। সব কিছুতেই নিজেদের নাম চান। টাকাটা মানুষের, অথচ আপনারাই তা অকারণে আটকে রাখছেন কেন?”

এদিকে মঞ্চে যখন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখছিলেন, তখনও অডিটোরিয়ামের বহু আসন খালি ছিল বলে দেখা যায়। ফলে সংগঠনের শক্তি ও মাঠস্তরের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। বুথস্তরে সংগঠন কতটা সক্রিয়, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে এই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “অনেকেই বলছেন, কেউ জিজ্ঞেস করছেন, সভা ফাঁকা কেন। হল কেন ভরেনি। আসলে এটা আমন্ত্রণভিত্তিক যোগদানের বিষয়। আমরা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ডেকে এনেছি তাঁর কথা শুনতে। তাই সভার সব চেয়ার ভরার বিষয়টা বড় নয়।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য