রাজ্য

ভোটের মুখে কড়া নির্বাচন কমিশন! আবগারি-নার্কোটিক্স-আরবিআইকে ‘ধমক’

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

ভোটের মুখে কড়া নির্বাচন কমিশন! আবগারি-নার্কোটিক্স-আরবিআইকে ‘ধমক’ - West Bengal News 24

ভোটের আগে একাধিক সংস্থার ভূমিকা নিয়ে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আবগারি দপ্তর এবং মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা (নার্কোটিক্স)-সহ বিভিন্ন সংস্থাকে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার গভীর রাতে কলকাতায় পৌঁছেছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকালে প্রথমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। এরপর কেন্দ্র ও রাজ্যের একাধিক সংস্থার আধিকারিকদের নিয়ে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বিমানবন্দর, আবগারি এবং নার্কোটিক্স দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কমিশন রীতিমতো ‘ধমক’ দেয় বলেই জানা গিয়েছে।

সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, মদের উৎপাদন যেন কোনওভাবেই স্বাভাবিক মাত্রার বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবগারি দপ্তরকে। এ বিষয়ে উৎপাদক সংস্থাগুলির সঙ্গেও সরাসরি কথা বলতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে মদের বেআইনি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন থেকেই কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বৈঠকে উপস্থিত আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের উদ্দেশে কমিশন নাকি মন্তব্য করে, বাড়তি লাভের জন্য আপনারা কিছুই করেন না। সবটাই জানি আমরা।

এদিনের বৈঠকে নারকোটিক অ্যাডভাইজারি বোর্ড এখনও কেন গঠন করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই বিষয়ে রাজ্যের এক আধিকারিক ব্যাখ্যা দিলেও তা কমিশনের কাছে সন্তোষজনক বলে মনে হয়নি বলে সূত্রের দাবি। অন্যান্য রাজ্যে বোর্ড গঠিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে কেন তা এখনও হয়নি, সেই বিষয়টিও কমিশনের তরফে তুলে ধরা হয়।

এছাড়াও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও কমিশনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর দিয়ে বেআইনি জিনিসের লেনদেন চললেও তার কোনও রিপোর্ট করা হচ্ছে না। এই বিষয়টি নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত এই সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিস্তারিত তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বেআইনি অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভূমিকাও বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে। সব মিলিয়ে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্র বা রাজ্যের কোনও সংস্থার গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না—এই বার্তাই এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলা আধিকারিক বলেন, “কমিশন বলেছে, ইচ্ছাকৃত গরমিল বা গাফিলতির কারণে এমন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে, যেখান থেকে ফেরার সুযোগ থাকবে না।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য