- কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন সন্তোষ পাঠক
- চৌরঙ্গী থেকে প্রার্থী হওয়ার জোর জল্পনা
- ২০২৬ নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ
- আরও দলবদলের সম্ভাবনায় সরগরম বঙ্গ রাজনীতি 🚨

তৃণমূলের প্রভাবশালী রাজনীতির মাঝেও নিজের রাজনৈতিক জমি ধরে রেখেছিলেন কংগ্রেস নেতা সন্তোষ পাঠক। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিলেন কলকাতা পুরসভার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর। এই পদক্ষেপ কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে, তাঁকে চৌরঙ্গী কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। এছাড়াও খবর, এদিনই কামদুনি আন্দোলনের মুখ টুম্পা কয়ালও গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে পারেন।
প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ সন্তোষ পাঠক দীর্ঘদিন ধরেই নিজের এলাকায় প্রভাব বজায় রেখেছিলেন। বর্তমানে তিনি কলকাতা পুরসভার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। অতীতে চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দু’বার কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিলেও জয় পাননি। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, আসন্ন নির্বাচনের আগে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। এমনকি নিজের ঘনিষ্ঠ ও প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তীকে বিষয়টি ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত এত দ্রুত বাস্তবায়িত হবে, তা অনেকেই অনুমান করতে পারেননি।
আরও পড়ুন :: রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন নয়, স্পষ্ট বার্তা বিজেপির – মমতাকে ‘শহিদ হতে চাইছেন’ বলে কটাক্ষ শমীক ভট্টাচার্যের
সোমবার সন্ধ্যায় নিউটাউনে বিজেপির দফতরে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন সন্তোষ পাঠক। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে দলের পতাকা গ্রহণ করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, চৌরঙ্গী আসনে তাঁকেই প্রার্থী করা হতে পারে। যোগদানের পর সন্তোষ পাঠক বলেন, “তৃণমূল চাইছে না বিরোধী কেউ থাকুক। এবার বিজেপির হাত ধরেই পিসি ভাইপোর বিদায় হবে। আমি ব্রাহ্মণ সন্তান। বিয়ে-পুজো যেমন দিই, তেমন শ্রাদ্ধও করি।” নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, “আটবার লড়েছি, কংগ্রেস তৃণমূলকে সরাতে পারত না জানি। তাই এই যোগদান।”
এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “উনি ২২ বছর ধরে কাউন্সিলর। উনি দলবদলের রাজনীতি করেন না। পরিস্থিতি বাধ্য করেছে।” অন্যদিকে, তৃণমূলও এই দলবদলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মুখপাত্র লিখেছেন, ‘গান্ধীর ভাবনাচিন্তা নিয়ে যে চলত তিনি এখন গডসের পথে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’



