যুদ্ধের জল্পনায় গ্যাস নিয়ে ধোঁয়াশা, বুকিং নিয়মে কোনও বদল নয়, স্বস্তির বার্তা কেন্দ্রের
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে জ্বালানি গ্যাসের সম্ভাব্য সংকট নিয়ে দেশজুড়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে সোশাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গ্যাস বুকিং সংক্রান্ত নতুন নিয়ম চালু হয়েছে বলে যে দাবি ছড়িয়ে পড়েছিল, তা সম্পূর্ণ খারিজ করেছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।
বুধবার প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগের নিয়মই বহাল রয়েছে এবং নতুন করে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। একইসঙ্গে সরকার আশ্বস্ত করেছে যে দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি গ্যাস মজুত রয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, শহরাঞ্চলে গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আগের মতোই ২৫ দিনের ব্যবধান বজায় থাকবে। গ্রামীণ এলাকাতেও একইভাবে ৪৫ দিনের সময়সীমা বহাল রয়েছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়ম চালু রয়েছে, সেটিই অপরিবর্তিতভাবে কার্যকর থাকবে। বুকিং প্রক্রিয়ায় কোনও নতুন বিধিনিষেধ বা সময়সীমার পরিবর্তন আনা হয়নি বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছে যেন তারা গুজবে কান না দেন এবং অযথা আতঙ্কিত না হন।
আরও পড়ুন :: ৮ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট ক্যানসেল? এক টাকাও ফেরত নয়! কড়া নিয়মে বড় বদল আনছে রেল
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে কিছু সংবাদমাধ্যম সূত্রের ভিত্তিতে দাবি করা হচ্ছিল যে ডবল সিলিন্ডার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩৫ দিন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হচ্ছিল, সিঙ্গল সিলিন্ডার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সময়সীমা আগের মতোই ২৫ দিন রাখা হয়েছে এবং ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। এই ধরনের খবর দ্রুত সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক গ্রাহকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
তবে কেন্দ্রীয় সরকার এই সমস্ত দাবিকেই সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও সম্পূর্ণ ভুল বলে জানানো হয়েছে। সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বর্তমানে যে নিয়ম কার্যকর রয়েছে সেটিই বহাল থাকবে এবং নতুন করে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে।



