
১. নিজের দোষ মেনে নিন :
নিজের সমস্যায় অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর অভ্যাস বাদ দিন। অন্যের কারণে পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে পারে। কিন্তু তা সামাল দিতে না পারাটা আপনারই ব্যর্থতা। ভাবতে হবে, যা ঘটার তা ঘটে গেছে। একে বদলাতে পারবেন না।
২. অতিরিক্ত কায়িক শ্রমকে না :
শরীরটাকে ফিট রাখতে অনেকে কঠিন সব ব্যায়ামের কোর্সে ভর্তি হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিরিশের কোঠায় এমন কোনো কোর্সে ভর্তি হবেন না, যাতে মারাত্মক কায়িক শ্রমের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে স্থূলতা কমাতে বা এমনিতেই কঠিন কাজ করতে যাবেন না। এ বয়স থেকে হাড়, সংযোগস্থল, লিগামেন্ট ও ট্যান্ডন তাদের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা হারাতে থাকে।
৩. স্মৃতিকাতরতা নয় :
অতীত নিয়ে পড়ে থাকার সময় এখন নয়। পুরনো সময় থেকে শিক্ষা নিন। কিন্তু এর কারণে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ভুলে যাবেন না। তিরিশের কোঠা পেরিয়ে স্কুল বা হাই স্কুলের স্মৃতি রোমন্থন মাঝেমধ্যে ভালো লাগে। কিন্তু সেই দিন ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে লাভ নেই।
৪. অনুসরণ করুন অনুকরণ নয় :
অন্যকে অনুসরণ করতে পারেন। কিন্তু অনুকরণ করতে যাবেন না। আপনার ব্যক্তিত্বের আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলোকে বিকশিত করুন। নিজের সত্তাকে সম্পূর্ণ পাল্টে অন্যের মতো হওয়ার চেষ্টা করবেন না। জোর করে অন্যের নকল করতে চাইলে আপনাকে কেবল একটা মুখোশ ধারণ করতে হবে। ভেতরটা কখনোই বদলাবে না আপনার।
৫. নিজেকে চিনুন, মেনে নিন :
সব মানুষের মাঝেই ভালো-মন্দ নানা দিক রয়েছে। নিজেকে চিনুন এবং মেনে নিন। আপনি যেমন মানুষ, তা নিয়ে দুঃখ করবেন না। তবে অনেক কাজে অনুতাপ আসতেই পারে। এটি আপনাকে পরিশুদ্ধ করে তোলে। কিন্তু তিরিশের কোঠায় নিজেকে নিয়ে কষ্ট পেয়ে বদলানোর পরিকল্পনা করে লাভ নেই। বরং ছোট-বড় ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করুন।
৬. ঋণ নেওয়া নয় :
ঋণ সব মানুষের জীবনে বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। একবার ঋণ নিলে তা পরিশোধ করতেই হবে। ঋণ থেকে পালিয়ে যেতে পারবেন তিরিশের কোঠায় এমন ভুল ভাবতে যাবেন না। তাই ঋণ নেওয়ার পর তা দ্রুত শোধ করার চেষ্টায় মন দিন।
৭. আশাবাদী হোন :
যত বিপদই থাকুক না কেন, জীবনটাকে এগিয়ে নিতে ভয় পাবেন না। জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় এলেও মোটেই ভীত হবেন না। অন্তত তিরিশের কোঠায় কোনো কারণে জীবনে বড় বিপদ নেমে এলে তার মোকাবিলায় প্রস্তুত হোন।
৮. মদ-মাদক নয় :
এ বয়সে মাদক থেকে দূরে থাকুন। অ্যালকোহলসহ যেকোনো মাদক আপনার আয়ু দ্রুত কমিয়ে আনবে। এ বয়সে দেহের নানা প্রত্যঙ্গ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। মাদক এ প্রক্রিয়াকে আরো ত্বরান্বিত করবে।



