
কলকাতা: শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিএসএফ গেস্ট হাউসে বসে থেকে বিকালে হাওড়া পরিদর্শনে বের হলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের আধিকারিকরা। যদিও বিকেলে হটস্পট পরিদর্শনের আগে মুখ্যসচিবকে একের পর এক ‘পত্রবোমা’ ছোঁড়েন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। যেখানে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। শুধু তাই নয়, করোনা ভাইরাসের চিকিত্সার মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
এরপর দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শুক্রবার বিকাল ৪টে নাগাদ হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। প্রথমে তারা হাওড়া ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যান। সেখানকার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। অভিযোগ, শুক্রবার সকাল থেকে রাজ্যের প্রতিনিধি দলের অপেক্ষায় বসে ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের আধিকারিকরা। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধিই তাঁদের সঙ্গে দেখা করেনি। যদিও বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কোনও তথ্য আদান-প্রদান দেওয়া নেওয়া হবে না।
আর সেই কারণেই সকাল থেকে রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। এরপরই মুখ্যসচিবকে কড়া ভাষায় চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় দল। যদিও সকাল থেকেই গেস্ট হাউসের বাইরে থেকে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখে কলকাতা পুলিশ। বালিগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন ছিল সেখানে। বিকালে সেখানে পৌঁছায় রাজ্যের প্রতিনিধি দল।
তারপরই বিকাল ৪টে নাগাদ হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেন কেন্দ্রীয় দল। তারা হাওড়ার বিভিন্ন হটস্পট, কোভিড হাসপাতাল, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, এবং বাজার পরিদর্শন করতে পারেন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, হাওড়ায় যে হটস্পটগুলি তারা পরিদর্শন করতে পারেন তারমধ্যে রয়েছে সালকিয়া, পিলখানা, পিএম বস্তি এবং চড়া বস্তি। এছাড়া হাওড়ায় যে ২টি কোভিড হাসপাতাল আছে সত্যবালা আইডি হাসপাতাল ( সরকারি ) এবং গোলাবাড়ির আইএলএস হাসপাতাল ( প্রাইভেট ) তারা পরিদর্শন করতে পারেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কলকাতা ঘুরেছে কেন্দ্রীয় দল। তারা প্রথমে রাজারহাট কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যান। এরপর যান এমআর বাঙুর কোভিড হাসপাতাল পরিদর্শন করে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।
সুত্র:কলকাতা24×7



