
ওয়েবডেস্ক: নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার কৈপুকুরে আক্রান্ত হলেন দুই পুলিশ কর্মী। লোহার রড দিয়ে মেরে এক পুলিশকর্মীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া এবং অন্য এক পুলিশ কর্মীকে আহত করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুরুচিকর মন্তব্য করা নিয়ে হাবড়ার কৈপুকুরের এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল।
শুক্রবার রাতে হাবড়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর রাখহরি ঘোষ ও কয়েক জন কনস্টেবল অভিযুক্তের বাড়িতে তদন্ত করতে যান। জিজ্ঞাসাবাদ করেন অভিযুক্তকে। পরে তাঁকে আটক করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অভিযুক্ত অমিত রায় ও তাঁর বাবা অমর রায়। পরে পুলিশকর্মীদের উপরে তাঁরা চড়াও হন। মাথা ফেটে যায় এসআই রাখহরি ঘোষের।
হাত আঘাত পান কনস্টেবল অভিজিত্ ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আহত দুই পুলিশকর্মীকে হাবড়া হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিত্সার পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। হাবড়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নীলিমেশ দাস বলেন, ‘বাংলার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বিজেপি।
আমরা নির্দিষ্ট অভিযোগ করেছি। দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা হোক। ওরা পুলিশকর্মীদেরও খুনের চেষ্টা করেছে।’ এ নিয়ে বিজেপি নেতা বিপ্লব হালদার বলেন, ‘পুলিশের গায়ে হাত দেওয়া নিন্দনীয় অপরাধ।
তবে এই ছেলেটি কি সমাজবিরোধী নাকি কোনও জঙ্গি যে মাঝরাতে তার বাড়িতে হানা দিতে হবে পুলিশকে? এক সিভিক ভলান্টিয়ার গিয়ে ওই পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। তার পরেই গন্ডগোল বাধে।’ ধৃত যুবক যে তাঁদের দলীয় কর্মী সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বিপ্লব হালদার। ধৃত দু’জনকেই শনিবার দুপুরে বারাসত আদালতে তোলা হবে।
সুত্র: THE WALL



