রাজনীতি

এতদিন CESC-র সঙ্গে ভালোই লেনদেন হচ্ছিল : দিলীপ ঘোষ !

এতদিন CESC-র সঙ্গে ভালোই লেনদেন হচ্ছিল : দিলীপ ঘোষ ! - West Bengal News 24

 

ওয়েবডেস্ক : কলকাতা, আমফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড কলকাতা। তা বলে ৫ দিনেও বিদ্যুত্‍ আসবে না। প্রশ্ন অনেকের।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুর, চেতলা, শরত্‍ বোস রোড থেকে বেহালার বিভিন্ন অংশে বিদ্যুত্‍ আসেনি। এছাড়া যাদবপুরের কয়েকটি জায়গা, ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন বেশ কিছু এলাকায়ও নেই বিদ্যুত্‍।

এই পরিস্থিতিতে CESC কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমন্ডীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম। ক্ষোভের সুরেই তিনি সোমবার বলেন, ‘এনাফ ইজ এনাফ। অনেক হয়েছে। অবিলম্বে যা করার করুন। লোকে আর কত সহ্য করবে।

এরপরই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার অভিযোগ, এতদিন CESC এর সঙ্গে ভালোই লেনদেন হচ্ছিলো, ছবি বিক্রি করা থেকে নিজেদের ছেলে মেয়েদের চাকরিও দেওয়া হয়েছে। এখন সমস্যা থেকে পালাতে সিএসসি কে বলীর পাঠা করা হয়েছে।

আগে বড় বড় কথা বলা আর পরে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিঠ দেখিয়ে পালিয়ে যাবার রাজনীতি মমতা ব্যানার্জি প্রথম থেকে করে আসছেন। খুবই নিন্দনীয়। মুখ্যমন্ত্রী চিরকাল স্টান্ট করার চেষ্টা করেন, মানুষ খেপে যাবার পর এখন উনি ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করছেন।

প্রসঙ্গত, আমফানের তাণ্ডবের পর শহরের বহু এলাকা এখনও বিদ্যুত্‍বিহীন। এই পরিস্থিতির জন্য সিইএসসি-কেই দায়ী করলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, ‘বিদ্যুতের পেমেন্ট তো সরকার নেয় না। যারা নিচ্ছে তাদের দায়িত্ব।’

অন্যদিকে কলকাতায় বিদ্যুত্‍ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ার জন্য সিইএসসি-র দাবি, বহু জায়গায় এখনও গাছ পড়ে রয়েছে। গাছ না কাটার জন্য লাইন দেওয়া যাচ্ছে না।

রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সিইএসসি পুরসভাকে যে তথ্য বিকেল পর্যন্ত দিয়েছে, তাতে শহরের ৫০ শতাংশ এলাকাতেই বিদ্যুত্‍ সংযোগ ফিরে এসেছে। কলকাতায় বিদ্যুত্‍ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ার জন্য সিইএসসি-র দাবি, বহু জায়গায় এখনও গাছ পড়ে রয়েছে। গাছ না কাটার জন্য লাইন দেওয়া যাচ্ছে না। সিইএসসি-র এই দাবিকে এদিন খারিজ করে দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর বক্তব্য, ‘গাছ না কাটার জন্য লাইন দেওয়া যাচ্ছে না, সিইএসসি-র এই দাবি ভুল।’ বরং তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ‘বরং কয়েকটি জায়গায় ওদের লাইন চালু থাকায় গাছ কাটা যায়নি।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোথায় কোথায় গাছ কাটতে হবে, সিইএসসি-র কাছে সেই তালিকা চাই।’

ফিরহাদ জানিয়েছেন, মুখ্যসচিব রবিবার ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন বা সিইএসসির সঙ্গে কথা বলেছেন। মানুষের অসুবিধার জন্য সাংবাদিক বৈঠকে ‘ক্ষমা’ চান কলকাতা পুরসভার প্রশাসক। বলেন, ‘মানুষের অসুবিধার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’।

ফিরহাদ এ দিন জানিয়েছেন, শহরের সমস্ত বড় রাস্তাতেই গাছ কেটে চলাচলের উপযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেনা এবং এনডিআরএফ-এর সহায়তা অনেকটাই কাজে দিয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে এখনও বিভিন্ন পাড়ায়, গলির মধ্যে উপড়ে থাকা গাছ রয়েছে বলে মেনে নেন ফিরহাদ।

তিনি বলেন, ‘আরও ৩৬০ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে গাছ কাটার জন্য। সোমবার ইদের ছুটি থাকলেও পুরসভার সব কর্মী কাজে যোগ দেবেন।’ ফিরহাদ এদিন বলেন, যারা দোষারোপ করছে, ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে।

সুত্র: কলকাতা24×7

আরও পড়ুন ::

Back to top button