বিচিত্রতা

অর্ধনগ্ন শরীরের উপর ছবি আঁকছে সন্তানরা, ভিডিও পোস্ট করে রোষের মুখে মুসলিম সমাজকর্মী

অর্ধনগ্ন শরীরের উপর ছবি আঁকছে সন্তানরা, ভিডিও পোস্ট করে রোষের মুখে মুসলিম সমাজকর্মী - West Bengal News 24

শরীরের উপরিভাগে সুতোটুকু নেই। সেভাবেই শুয়ে মা। মনের আনন্দে হাতে রং পেনসিল তুলে নিয়ে মায়ের সেই উন্মুক্ত শরীর রঙিন করে দিচ্ছে সন্তানরা। বাচ্চাদের এই কাণ্ডকারখানায় বাধা দিচ্ছেন না মা। বরং তিনি পরিবারের সেই আনন্দের মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তা পোস্ট হতেই বিতর্কের আগুন জ্বলে ওঠে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয় যে শেষমেশ সেই মায়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনা কেরলের পাথানামথিট্টা জেলার। মা হলেন সমাজকর্মী রেহানা ফতিমা। শবরীমালা মামলায় যাঁর নাম আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছিল। তিনিই ফের জড়ালেন বিতর্কে। ঘটনাটা খানিকটা এরকম। গত ১৯ জুন ফেসবুকে একটি ইউটিউব ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁর টপলেস শরীরে ছেলে ও মেয়ে আঁকিবুকি করছে। ভিডিওর উপরে #BodyArtPolitics জুড়ে দিয়ে মহিলাদের শরীর নিয়ে ওঠা নানা প্রশ্নের বিরুদ্ধেও সওয়াল করেন তিনি। কিন্তু ফল হয় বিপরীত। নেটদুনিয়ার রোষের মুখে পড়ে সেই ভিডিও এবং সমাজকর্মী।

অর্ধনগ্ন শরীরের উপর ছবি আঁকছে সন্তানরা, ভিডিও পোস্ট করে রোষের মুখে মুসলিম সমাজকর্মী - West Bengal News 24

অনেকে ভিডিওতে শিশুদের যৌন হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন। কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তোলেন, কোনও বাবা তাঁর মেয়ের সঙ্গে একইরকম আচরণ করলে রেহানা কি মেনে নিতেন? তবে তিনি কেন এধরনের ভিডিও পোস্ট করছেন? কী বার্তা দিতে চাইছেন? বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা এভি অরুণ প্রকাশ।

থিরুভাল্লা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কেরল পুলিশ আইন, জুভেনাইল বিচার আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনে রেহানার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শবরীমালায় আয়াপ্পা মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। ২০১৮ সালের অক্টোবরে শবরীমালায় মহিলাদের প্রবেশে সবুজ সংকেত দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করলে গ্রেপ্তার করা হয় রেহানাকে। আয়াপ্পা ভক্তদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এবার সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে টপলেস ভিডিও পোস্ট করে সোশ্যাল দুনিয়ার রোষানলে রেহানা।

সুত্র : সংবাদ প্রতিদিন

আরও পড়ুন ::

Back to top button