কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম হল কোভিড হাসপাতাল, বড় পদক্ষেপ রাজ্যে সরকারের

করোনা মোকাবিলায় কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকেই কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হল। এতদিন সেফ হোম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। বেসরকারি হাসপাতাল মেডিকা ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে যাদবপুর স্টেডিয়াম তথা কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
আজ দুপুর দেড়টা নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে কিশো ভারতী স্টেডিয়ামে কোভিড হাসপাতালের উদ্বোধন করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিকভাবে ১৪৫টি বেড নিয়ে হাসপাতালটি চালু করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, অতিরিক্ত ৩০০ কোভিড বেডের সুবিধা পাওয়া যাবে এই হাসপাতালে।
জেনারেল ওয়ার্ডের পাশাপাশি থাকবে আইসিইউ, এইচডিইউ ইউনিটের সুবিধাও থাকবে। হাসপাতালে বসবে অক্সিজেন প্ল্যান্ট। করোনা আক্রান্ত আশঙ্কাজনক রোগীরা যাতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সাপোর্ট পেতে পারেন, তার পুরো ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
মেডিকার তরফে হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে ০৩৩-৬৬৫২০০০০। যাদবপুরের কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে এতদিন সেফ হোম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। সেখানে কোভিড হাসপাতালের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতে মেডিকা হাসপাতালকে সবুজ সঙ্কেত দেয় রাজ্য সরকার।
কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের মতো নিউ টাউনের হজ হাউসও সেফ হোম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এখন। সেখানেও ৩০০ শয্যার কোভিড হাসপাতাল তৈরির প্রস্তুতি চলছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে রাজ্যে। কোভিড হাসপাতালে করোনা রোগীর ভিড় বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য কর্তারা শহরে আরও বেশি সেফ হোম খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে অন্দরবাসে থাকা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অন্দরবাসে বয়স্করাও অনেকে রয়েছেন। তাঁদেরও কখনও সেফ হোম প্রয়োজন হতে পারে। সূত্রের খবর, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সেফ হোম তৈরির দাবি জানিয়ে পড়ুয়াদের তরফ থেকে উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপকরাও এই দাবিকে সমর্থন করেছেন বলেই খবর। যদিও এখনও পাকাপাকি কোনও অনুমতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সুত্র : দ্য ওয়াল



