
দিন কয়েক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় গোমূত্র খাওয়ার পাঠ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা। করোনা তাড়াতে গোমূত্রের উপকারিতার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। আর এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গোমূত্রকে মোক্ষম ওষুধের সার্টিফিকেট দিলেন খোদ গেরুয়া দলের সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর।
কোভিডের জেরে ফুসফুসে যে সংক্রমণ হয় তাকে সারিয়ে তুলতে পারে গোমূত্র, এদিন এমনটাই দাবি করেছেন প্রজ্ঞা ঠাকুর। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও নিয়মিত গোমূত্র খান, জানিয়েছেন ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ। সারা দেশ যখন করোনা অতিমারীর বিরুদ্ধে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছে, তখন একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এহেন মন্তব্য যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি করেছে।
ঠিক কী বলেছেন প্রজ্ঞা ঠাকুর? দলীয় এক সভায় তাঁকে বলতে শোনা গেছে, ‘আমরা যদি রোজ দেশি গোরুর মূত্র খাই, তাহলে কোভিডের ফুসফুস সংক্রমণ কমে যায়। আমি অসুস্থ কিন্তু আমি রোজ গোমূত্র খাই। তাই আমাকে করোনা থেকে বাঁচতে কোনও ওষুধ খেতে হয় না। আমার করোনা হয় না।’ ভোপালের বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর নিজেকে সন্ন্যাসিনী বলেন।
সবসময় তিনি পরে থাকেন গেরুয়া বসন। এদিন তিনি জোর গলায় বলেছেন, ‘গোমূত্র জীবন বাঁচায়।’ বছর দুয়েক আগেও একই বিতর্কে জড়িয়েছিলেন প্রজ্ঞা ঠাকুর। তিনি বলেছিলেন গোমূত্র আর গো-জাত আরও কিছু দ্রব্যের মিশ্রণ ব্যবহার করে তাঁর ক্যান্সার সেরে গেছে। গত ডিসেম্বরেই করোনার উপসর্গ নিয়ে দিল্লি এইমস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রজ্ঞা।
গোমূত্র থেকে যে করোনা সারে না, চিকিত্সকরা তা বলেছেন বারবার। কিন্তু তবু কেউ কেউ বিশেষজ্ঞদের সেই মতকে পাত্তা দিতে রাজি নন। এমনকি করোনা তাড়াতে গোবর মাখতেও দেখা গেছে সম্প্রতি। অতিমারী পরিস্থিতিতে এই ধরনের মন্তব্য বিভ্রান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে, দাবি পর্যবেক্ষক মহলের।
সুত্র : দ্য ওয়াল



