
নারদ মামলায় সিবিআই (CBI) গ্রেফতার করেছে কামারহাটি তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে (Madan Mitra)। তিনি এখন এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। বুধবার মদন মিত্র গভীর ষড়যন্ত্রের (Great Conspiracy) অভিযোগ করলেন সাংবাদিকদের কাছে। এদিন তাঁকে এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ড থেকে নিয়ে যাওয়া হয় সিটি স্ক্যান করার জন্য। সেই সময় সাংবাদিকদের মদন মিত্র বলেন, ‘এখনও আমি অসুস্থ বোধ করছি। গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’ তবে তাঁরা সুবিচার পাবেন, বলেই মদন মিত্র আশা প্রকাশ করেন।
বুধবার তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সতর্ক থাকুন, গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই হারকে মেনে নিতে পারছে না। গণতন্ত্রের এমন নৃশংস হত্যা এর আগে আমি কখনও দেখেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনও অসুস্থ। গতকাল হাইপোগ্লাইকোমিয়া হয়ে গিয়েছিল। উপর ওয়ালা আছেন। এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা হবে।’ তবে ভিড়ের জন্য মদন মিত্রর সিটিস্ক্যান হয়নি।
এই মুহূর্তে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ব্লকে ভর্তি আছেন মদন মিত্র। হাইকোর্ট তাঁদের জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার পর সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়, এই চারজনকেই প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় সোমবার গভীর রাতে । সেখানেই বেশি রাতে অসুস্থ বোধ করায় মঙ্গলবার ভোররাত অর্থাত্ পৌনে চারটের নাগাদ মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। মদন মিত্রের অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় তাঁকে অক্সিজেন দিতে হয়। তবে শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও এসএসকেএম হাসপাতালে যেতে রাজি হয়নি । তিনি এখন প্রেসিডেন্সি জেলে আছেন সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে। বুধবার সকালে ফিরহাদ হাকিমের করোনা পরীক্ষা হয়, রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে তিনি এখনও প্রেসিডেন্সি জেলেই আছেন।
তবে শুধু মদন মিত্র একই নয়, ফিরহাদ হাকিমের বড় কন্যা সোমবার থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন শান্ত থাকতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একই আবেদন করেছেন দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছে। বলেছেন, রাজ্যের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে সবার শান্ত থাকা উচিত। আইনের শাসনের ওপর ভরসা রাখতে হবে।
সূত্র : কলকাতা ২৪*৭



