
আর দেরী নয় কাজে দ্রুত নামতে বদ্ধপরিকর রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। নারদ মামলায় গত ১৭-ই মে আচমকাই গ্রেফতারের পর গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের নির্দেশে অন্তর্বতী জামিনে বাইরে আছেন চার নেতার একজন সুব্রত বাবু। আর বাইরে এসেই নানান কাজে ব্যস্ত তিনি।
এদিন নিজের বাড়ির অফিসের আড্ডায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ‘যশ’-এরে ঝাপটায় রাজ্যের প্রায় সমস্ত বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত। সেগুলি মেরামতি করতে ১০০ দিনের কাজ করা শ্রমিকদের কাজে লাগানো হবে। রাজ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় ‘যশ’-এর জন্য নদীর জলের ঢেউতে প্রায় ১৩০ টি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। যার জন্য প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। সেগুলি মেরামতি করতে প্রয়োজন প্রচুর শ্রমিক। তাতে ১০০ দিনের কাজ করা শ্রমিকদের কাজে লাগানো হবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
জামিন মঞ্জুর হওয়ার পরেই বাড়ি থেকেই নিজের দফতরের কাজ করছেন তিনি। আজই চটজলদি বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মন্ত্রী। সেগুলি সুপারিশ ও অনুমোদনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাবেন খুব শীঘ্রই। তিনি জানিয়েছেন, নদী বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারে ১০০ দিনের কর্মীদের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত। ঝড়ে বহু গাছ পড়ে গিয়েছে। অভয়ারণ্য ক্ষতি হয়েছে।
এক্ষেত্রে বন দফতরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১ লক্ষেরও বেশি গাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পঞ্চায়েত দফতরের অধীনে বাড়ি নির্মাণ করা। অর্থাত্ ‘যশ’ পরবর্তীতে বেশকিছু দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি। যার কাজ মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের পর দ্রুত করতে চান তিনি।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার পঞ্চায়েত দফতরের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন মন্ত্রী। সেখানেই সমস্ত প্রস্তাব পাশ হয়ে কাজ শুরু হবে। এদিন সকালেই গড়িয়াহাটের এক কালী মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কার্যত ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন তিনি।
কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের গৃহবন্দির নির্দেশেও বাড়ি ফিরতে পারেননি তিনি। শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। তবে কিছুদিন আগেই বাড়ি ফিরে গৃহবন্দি ছিলেন, গত শুক্রবারের রায়ে জামিনে আবারও নিজের দফতর নিয়ে ময়দানে সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
সুত্র : এই মুহুর্তে



