
দিঘার সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে মৃত্যু হল দুই যুবকের। তাঁরা হাওড়ার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোট চারজন হাওড়া থেকে দিঘা গিয়েছিলেন। পুলিশ ও নুলিয়াদের নজর এড়িয়ে সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছিলেন সকলে। প্রবল জলের তোড়ে তলিয়ে যান দু’জন। বাকি দু’জনকে উদ্ধার করেছে নুলিয়ারা। ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের পরেও উত্তাল দিঘার সমুদ্র। এই সময় সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তার ওপরে লকডাউনও চলছে।
এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে চার পর্যটক সমুদ্রে স্নান করতে নেমে পড়লেন সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম মইদুল নস্কর ও নূর মহম্মদ মিদ্যা। হাওড়ার লিলুয়া থানার জগদীশপুরহাট এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার ওল্ড দিঘার সমুদ্রে স্নান করতে নামেন চারজনই।
পুলিশের দাবি, এই চারজনকে সৈকতে ঘোরাঘুরি করতে দেখেই ফিরে যেতে বলা হয়েছিল। তারপর কোন ফাঁকে তারা সমুদ্রে নেমে পড়েছেন তা টের পাওয়া যায়নি। নুলিয়াদের চেঁচামেচি শুনেই ছুটে যায় পুলিশ। উদ্ধার করে চারজনকেই নিয়ে যাওয়া হয় দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।
সেখানে দু’জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা। বেঁচে যাওয়া দুই বন্ধুর একজন পুলিশকে জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কাজের জন্যই তাঁরা দিঘায় গিয়েছিলেন। হোটেল মালিক চেনা হওয়ায় থাকার অনুমতিও পেয়েছিলেন। দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পরে সমুদ্রে স্নান করতে গিয়েই বিপদ ঘটে। নুলিয়াদের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই চারজনকেই সমুদ্রে নামতে বার বার বারণ করেছিলেন নুলিয়ারা। কিন্তু চোখ এড়িয়ে তাঁরা আরও কিছুটা দূরে গিয়ে সমুদ্রে নেমে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গেই জলের তোড়ে তলিয়ে যান দু’জন। নুলিয়াদের দাবি, ওই চার যুবকই মত্ত অবস্থায় ছিলেন।
সূত্র : দ্য ওয়াল



