জাতীয়

‘রামদেবকে ছেড়ে ভাইরাসের প্রতিকার খুঁজুন’ – যোগগুরুকে নোটিশ, ডাক্তারদেরও উল্টে জুটল ধমক

‘রামদেবকে ছেড়ে ভাইরাসের প্রতিকার খুঁজুন’ – যোগগুরুকে নোটিশ, ডাক্তারদেরও উল্টে জুটল ধমক - West Bengal News 24

অ্যালোপ্যাথি চিকিত্‍সাকে ‘স্টুপিড’ বলেছিলেন রামদেব। তাঁর বক্তব্য ছিল এই চিকিত্‍সা পদ্ধতিতে যত মানুষ মারা গেছেন করোনাতেও তত প্রাণহানি হয়নি। যোগগুরুর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চিকিত্‍সকরা। কিন্তু দেখা গেল তাঁদের অভিযোগকে নস্যাত্‍ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

দিল্লি মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেছিল রামদেবের বিরুদ্ধে। তাদের তরফে দাবি তোলা হয়েছিল আগামী দিনে বাবা রামদেব যাতে কোনওরকম অপমানজনক মন্তব্য না করতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে হবে আদালতকে।

রামদেবের কাছে নিঃশর্তে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়েছিল। কিন্তু এই মামলার শুনানিতে এদিন বিচারপতি ডাক্তারদের বলেন, ‘আপনারা নিজের কাজটা মন দিয়ে করুন। এই অতিমারী পরিস্থিতির হাত থেকে কীভাবে রক্ষা পাওয়া যায় তার উপায় খুঁজুন। এভাবে আদালতের সময় নষ্ট করবেন না।’

এদিন রামদেব ইস্যুতে উত্তপ্ত কথপোকথন চলে দিল্লি হাইকোর্টে। ডিএমএ-র তরফে বলা হয়, ‘রামদেব যা বলছেন তাতে আমাদের সদস্যদের খারাপ লাগছে। উনি ডাক্তারের নাম করছেন। উনি বলছেন বিজ্ঞান ভুয়ো। শুধু তাই নয় রামদেব মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন করোনিল নিয়ে। দাবি করছেন ওতে করোনা সেরে যাবে, কেউ মরবে না।

এমনকি সরকারও ওঁকে করোনিলের প্রচার করতে নিষেধ করেছে। কিন্তু এর মধ্যেই ২৫০ কোটি টাকার করোনিল বিক্রি করে দিয়েছেন উনি।’ এর জবাবে আদালতের বিচারপতি বলেন, ‘কাল আমার মনে হতেই পারে হোমিওপ্যাথি মিথ্যা। ওতে কোনও কাজের কাজ হয় না। এর বিরুদ্ধেও কি তখন অভিযোগ দায়ের করা হবে? যদি আমরা মেনেও নিই উনি যা বলছেন তা ভুল আর বিভ্রান্তিকর, তবু এভাবে অভিযোগ দায়ের করা যায় না।’

এ ব্যাপারে উল্টে পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন বা পিআইএল দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। দিন কয়েক আগেই রামদেবের মন্তব্যের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ। মানহানির মামলাও দায়ের করা হয়েছিল যোগগুরুর বিরুদ্ধে। কিন্তু রামদেব স্পষ্টই জানিয়েছিলেন কেউ তাঁর টিকিটাও ধরতে পারবে না। তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এরপর দিল্লি হাইকোর্টের এহেন মন্তব্য নতুন করে বিতর্কে ঘি ঢেলেছে।

সুত্র :দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য