
শনিবার বিকালে জানা যায়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২১৩ জন। তিন মাসে আর কখনও শহরে একদিনে এত কম সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হননি। এই নিয়ে রাজধানীতে করোনায় সংক্রমিত হলেন মোট ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৮৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে মারা গিয়েছেন ২৮ জন। এই নিয়ে রাজধানীতে করোনায় মারা গেলেন মোট ২৪ হাজার ৮০০ জন।
শহরের পজিটিভিটি রেট এখন ০.৩০ শতাংশ। এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি পজিটিভিটি রেট ছিল ০.২৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শহরে সেরে উঠেছেন ৪৯৭ জন করোনা রোগী। দিল্লিতে এখন অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৩৬১০। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এদিন সতর্ক করে বলেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে তৃতীয় ঢেউ ঠেকানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।
দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় শহরে স্বাস্থ্য পরিষেবা অচল হয়ে পড়েছিল। অক্সিজেনের অভাব দেখা দিয়েছিল। অনেক রোগীই অক্সিজেন বা হাসপাতালে বেড পাননি। দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে গত এপ্রিল মাস থেকে রাজধানীতে লকডাউনের মতো কড়াকড়ি শুরু হয়। তারপর সংক্রমণ কমে আসায় গত সোমবার থেকে কিছু কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। এদিন সকালে জানা যায়, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৮৪ হাজার ৩৩২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন।
বিগত ৭০ দিনের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। পাশাপাশি হ্রাস পেয়েছে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও। আপাতত দেশে অ্যাকটিভ কেস ১১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ১০ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৯০। যা মোট সংক্রামিতের ৩.৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে কমেছে পজিটিভিটি রেটও (৪.৩৯%)। আপাতত এই হার টানা পাঁচদিন পাঁচ শতাংশের নীচে রয়েছে।
পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার হার (৯৫.০৭%)। যদিও এতকিছুর মধ্যে দুশ্চিন্তা ঘনিয়েছে মৃত্যুর পরিসংখ্যানকে ঘিরে। গত একদিনে সারা দেশে কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ হাজার ২ জন আক্রান্ত। অন্যদিকে বেশ কিছুদিন নিয়ন্ত্রণে থাকার পর মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কা বাড়িয়েছে। বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু। সেরাজ্যে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭৬৬ জন। তামিলনাড়ুর দৈনিক সংক্রমণ ১৫ হাজার ৭৫৯। তারপরেই কেরল (১৫ হাজার ২৩৩ জন)।
সুত্র : দ্য ওয়াল



