রাজ্য

‘আর ফিরবেন না কাকু’, রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ মহুয়া মৈত্রর

‘আর ফিরবেন না কাকু’, রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ মহুয়া মৈত্রর - West Bengal News 24

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে টুইটারে ফের তোপ দাগলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কিছুদিন আগেই মহুয়া মৈত্র জনগদীপ ধনকড়ের উদ্দেশে দিল্লি চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মন্তব্য করায় রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে তিনি বলেছিলেন, আপনি দিল্লি গিয়ে অন্য কাজ খুঁজে নিলেই বাংলা ভাল থাকবে। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কম চর্চা হয়নি। এরপর গতকাল বিকেলের ফ্লাইটে রাজধানীতে পাড়ি দিয়েছেন ধনকড়। যাওয়ার আগে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে কড়া চিঠিও দিয়ে গেছেন তিনি।

লিখেছেন, রাজ্য জুড়ে গণতন্ত্রের কন্ঠরোধ করে হিংসা ছড়াচ্ছে, আর মুখ্যমন্ত্রী মুখে কুলুপ এঁটেছেন। এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। অবিলম্বে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিন মুখ্যমন্ত্রী, বলেছেন রাজ্যপাল। গতকাল রাতেই ফের টুইট করেছেন মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরের সাংসদ লিখেছেন, ‘১৫ জুন কাকু দিল্লি যাচ্ছেন শুনছি… পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সাহেব, আমাদের একটা উপকার করুন। আর ফিরবেন না।’

রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে অভিহিত করে জনগদীপ ধনকড় গত ৮ জুন মুখ্যসচিবকে রাজভবনে তলব করেছিলেন। এরপর টুইটে মহুয়া মৈত্র বলেন, ‘কাকু (আঙ্কেলজি) এই ‘ভয়াবহ’ পরিস্থিতির উন্নতি হবে যদি আপনি দিল্লি ফিরে যান আর সেখানে গিয়ে অন্য কাজ খুঁজে নেন।’

এখানেই শেষ নয়, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে আরও কিছু পরামর্শ দিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। তিনি দিল্লি গিয়ে কী কাজ করতে পারেন তারই প্রস্তাব সাজিয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। জগদীপ ধনকড়কে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পরামর্শদাতা কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

মহুয়ার কথায়, যোগী রাজ্যে গিয়ে ধনকড়ের কাজ হবে কীভাবে বিরোধীদের ‘ঠুকে’ দিতে হয়, আর অমিত শাহকে তিনি পরামর্শ দেবেন অতিমারীর সময় কীভাবে লুকিয়ে পড়তে হয়। রাজভবনে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগও তুলেছিলেন মহুয়া। বলেছিলেন ‘যখন আপনি যাবেন, রাজভবনে যে পরিবার তৈরি করে ফেলেছেন তাঁদেরকেও নিয়ে যাবেন।’ এর সঙ্গে রাজ্যপালের ওএসডিদের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছেন মহুয়া মৈত্র। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশই ধনকড়ের পরিবারের লোক।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য