
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে পাঁচ জনকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল। তাদের মধ্যে চার জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতা চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙড়-১ নম্বর ব্লকের বড়ালি এলাকায়।
বড়ালি গ্রামের বাসিন্দা সামসের আলি মোল্লা প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। বৃহস্পতিবার দুপুরে একইভাবে গালাগালাজ শুরু করলে বাড়ির বধূ নাজমা বিবি প্রতিবাদ করেন। নাজিমা ভাইপোর স্ত্রী। অভিযোগ, নাজিমা প্রতিবাদ করতেই ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে বধূকে কোপাতে যায়। নাজমা বিবি পালিয়ে পাশে আলাউদ্দিন মোল্লার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
আলাউদ্দিন মোল্লার পরিবার সামসেরকে বাধা দিলে সে ওই পরিবারের লোকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপায়। আঘাত পান নাজিমা বিবিও। এই ঘটনায় আলাউদ্দিন মোল্লা সহ মোট চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে নলমুড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটায় তাদেরকে কলকাতা চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আহতরা হলেন, আলাউদ্দিন মোল্লা, শফিকুল মোল্লা এবং নাজমা বিবি।
তৃতীয়জনের নাম জানা যায়নি। খবর পেয়ে ভাঙড় থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশকে দেখেই পালিয়ে যায় সামসের আলি মোল্লা। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ভাঙড় থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ভাঙড় থানার পুলিশ। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর পুলিশের প্রাথমিক ধারনা, অভিযুক্তর মানসিক সমস্যা আছে।
সূত্র : দ্য ওয়াল



