
কসবার ভুয়ো টিকাকরণ শিবির থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। শরীরে কোভিড ভ্যাকসিন যায়নি। ভুয়ো টিকা নিয়ে রাতারাতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সাংসদ। তবে এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন মিমি। জাল ভ্যাকসিন কাণ্ডের পর এদিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একগুচ্ছ ফুলের ছবি পোস্ট করেছেন মিমি চক্রবর্তী। সেই সঙ্গে নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন অনুরাগীদের।
ইনস্টাগ্রামে মিমি লিখেছেন, যদি আমায় কেউ জিজ্ঞেস করে খারাপ সময় কেমন হয়, আমি সদ্য তা কাটিয়ে উঠেছি। শারীরিক আর মানসিক ভাবে যন্ত্রণায় ছিলাম। মিমি আরও লিখেছেন, উদার হওয়ার জন্য ধন্যবাদ, নিষ্ঠুর হওয়ার জন্যেও ধন্যবাদ। যদি তুমি আমার জন্য প্রার্থনা করে থাকো ধন্যবাদ, না করলেও ধন্যবাদ। সব কিছুর জন্যেই ধন্যবাদ। তুমি আমায় আবার শক্তিশালী বানিয়ে দিলে। আজ আমি আমার নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। আমার মাথা উঁচু রয়েছে। তোমাকে ধন্যবাদ।
View this post on Instagram
দিন দুয়েক আগে মিমি চক্রবর্তীর গলব্লাডার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সে বিষয়ে মিমি এদিন জানিয়েছেন, কিছুদিনের মধ্যেই তা ঠিক হয়ে যাবে। তিনি এখন ভালই আছেন। গত ২৩ জুন কসবার একটি টিকাকরণ শিবির থেকে ভ্যাকসিন নেন মিমি। কিন্তু তাঁর ফোনে কোনও মেসেজ না আসায় সন্দেহ হয় সাংসদ অভিনেত্রীর। যাদবপুরের সাংসদ খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, পুরসভার অনুমতি ছাড়াই চলছে ওই টিকাকরণ শিবির।
দেবাঞ্জন দেব নামক এক ভুয়ো আইএএস অফিসার এর মূল পাণ্ডা। একপ্রকার মিমির তত্পরতাতেই ফাঁস হয় গোটা চক্রের পর্দা। এরপরই শোনা যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মিমি। পেটের ব্যথায় ভুগছেন তিনি। চিকিত্সকের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে হয় তাঁকে। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন অনুরাগীরা। মিমির সঙ্গে ওই কেন্দ্র থেকে আরও অনেকেই টিকা নিয়েছিলেন। রাজ্য সরকার তাঁদের স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখছে।
সূত্র : দ্য ওয়াল



