রাজনীতিরাজ্য

‘আত্মতুষ্টির কারণেই পরাজয় হয়েছে বিজেপির’, দলীয় বৈঠকে মন্তব্য শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari : ‘আত্মতুষ্টির কারণেই পরাজয় হয়েছে বিজেপির’, দলীয় বৈঠকে মন্তব্য শুভেন্দুর - West Bengal News 24

অমিত শাহ বাংলায় যতবার সভা করতে এসেছেন, বাংলার ভোট নিয়ে সাক্ষাত্‍কার দিয়েছেন, সবেতেই বলেছিলেন, ‘ইস বার, দোশো পার!’ দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গড়ার কথা বলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সুরে রাজ্য নেতারাও একই গান গেয়েছিলেন ভোট প্রচারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে বিজেপি দাঁড়িয়েছে ৭৭-এ।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বা আত্মতুষ্টির কারণেই একুশের ভোটে বাংলায় পরাজয় হয়েছে বলে মেনে নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার চণ্ডীপুরে বিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘অনেকেই আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগেছেন যে এই জেলায় ১৬টি আসন, রাজ্যে ২৯৪টি। ১৭০-১৮০টা তো এমনিই হয়ে যাবে!’ প্রার্থী নিয়ে দলের ভিতরের কোন্দলকেও হারের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

শুভেন্দু বলেন, ‘অনেকেই নিজেদের প্রার্থীর সমালোচনা করেছেন। ভেবেছেন চণ্ডীপুর হারলে হারুক, খেজুরি, নন্দীগ্রাম, পটাশপুর তো জিতব! এই করতে গিয়ে অনেকে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছেন!’ মুকুল রায়ের বিজেপিতে যাওয়া নিয়েও ওই সভায় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘এ গেল সে গেল বলে মিডিয়া যেমন দেখাচ্ছে তাতে বিচলিত হবেন না। মুকুলবাবু জীবনে ভোটে জেতেননি। ওই আসনে লোকসভায় বিজেপির ৫০ হাজার লিড ছিল। ওখানে বুথকর্মী দাঁড় করালে তিনিও জিততেন।’

শুভেন্দু এও বলেন, ছেলের ব্যবসা বাঁচানোর জন্য মুকুল রায় তৃণমূলে গিয়েছিলেন। লোকসভা ভোটেও শতাধিক বিধানসভায় এগিয়ে ছিল বিজেপি। কিন্তু একুশের বিধানসভায় হিসেব পাল্টে গিয়েছে। যে উত্তরবঙ্গে লোকসভায় তৃণমূল শূন্য হয়ে গিয়েছিল সেখানে বিধানসভায় কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে শাসকদল।

জঙ্গলমহলেও বিজেপি যে আধিপত্য পেয়েছিল লোকসভায় তা ধরে রাখতে পারেনি। বিজেপির হারের কারণ হিসেবে নানা জনে নানা মত দিয়েছেন। তথাগত রায়ের মতো প্রবীণ নেতারা বলেছেন, এত হিন্দি বক্তৃতাই কাল হয়েছে। মানুষ অর্ধেক কথা বুঝতেই পারেননি। এবার শুভেন্দুর ব্যাখ্যা—আত্মতুষ্টিতেই হার।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button