গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় কোনো মৃত্যু হয়নি, কিুছুটা বাড়ল রাজ্যের দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু

নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উদ্বেগ যাচ্ছে না। রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর রেখচিত্র আগের দিনের তুলনায় আরও ঊর্ধ্বমুখী। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন আর প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। তবে কিছুটা স্বস্তির কথা হলো, পজিটিভিটি রেট অর্থাত্ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার আগের দিনের তুলনায় সামান্য কমেছে।
দৈনিক সংক্রমণে উত্তর ২৪ পরগনাকে টপকে রাজ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে দার্জিলিং। পাহাড়ি জেলায় একদিনে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯২ জন। কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। অর্থাত্ ফের মৃত্যুহীন দিন কাটাল মহানগর।
রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধের ফলে করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু যেভাবে গত কয়েকদিন ধরে কোভিড চিত্র একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে তাতে বেশ খানিকটা উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। মারণ ভাইরাসের এমন খামখেয়ালিপনায় অশনিসঙ্কেতই দেখছেন তাঁরা।
শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে দৈনিক করোনা বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ‘গত ২৪ ঘন্টায় আগের দিনের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু-দুই’ই বেড়েছে। নতুন করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৮৪৩টি। নয়া নমুনা পরীক্ষায় আরও ৮৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
যার ফলে রাজ্যে মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ২২ হাজার ১০৩ জনে। পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭২ শতাংশে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার বলি হলেন ১৮ হাজার ৫৬ জন।’
স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ‘গত ২৪ ঘন্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৪২ জন। এ নিয়ে মারণ ভাইরাস জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৫৮ জনে। সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ০২ শতাংশে। একদিনে অ্যাকটিভ কেস কমেছে ১১৬ টি।
যার ফলে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৯ জনে। গত ২৪ ঘন্টায় সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটেছে নদিয়া ও হুগলি জেলায়। ওই দুই জেলায় চার জন করে মারা গিয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনায় মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২ জন এবং জলপাইগুড়ি, মালদা ও হাওড়ায় একজন করে মারা গিয়েছেন।’
সূত্র: এই মুহুর্তে



