রাজনীতি

পেগাসাস ইস্যুতে বিজেপি সাংসদকে ‘বিহারী গুণ্ডা’ বলার অভিযোগ, কৌশলী জবাব তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের

পেগাসাস ইস্যুতে বিজেপি সাংসদকে ‘বিহারী গুণ্ডা’ বলার অভিযোগ, কৌশলী জবাব তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের - West Bengal News 24

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) তাঁকে বিহারি গুন্ডা বলে আক্রমণ করেছেন। এবার অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে (Nishikant Dubey)। তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল সাংসদ। আর তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে বিস্তর জলঘোলা।

ঝাড়খণ্ডের গোড্ডার এই সাংসদের অভিযোগ, “তৃণমূল সাংসদের বলা অবমাননাকর ভাষা উত্তর ভারতীয়দের পাশাপাশি “হিন্দিভাষীদের তৃণমূলের ভাবনা প্রকাশ করেছে।” তাঁর আরও অভিযোগ, ‘বিহারি গুন্ডা’ বলে শুধু বিহারি নয়, সমস্ত হিন্দিভাষীদের অবমাননা করা হয়েছে।

লোকসভার অধ্যক্ষের উদ্দেশেও একটি টুটই করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ১৩ বছর সংসদীয় জীবনে এই প্রথম তাঁকে এতটা ‘ঘৃণ্য’ শব্দ শুনতে হল। তাঁর অভিযোগ, মহুয়া মৈত্র সংসদে এক বার নয়, তিন বার ‘বিহারি গুন্ডা’ শব্দটি প্রয়োগ করেছেন। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহুয়া মৈত্র।

তৃণমূল সাংসদের পাল্টা দাবি, “কোরামের অভাবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকই হয়নি। সদস্যরা উপস্থিতই ছিলেন না। সেই পরিস্থিতিতে তিনি কীভাবে কাউকে এ ধরনের কথা বলতে পারেন?” এক্ষেত্রে তিনি উপস্থিতির তালিকাও খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন।

পেগাসাস ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য কমিটির চেয়ারম্যান শশী থারুর তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সংসদীয় কমিটির বৈঠক ডেকেছিলেন। কিন্তু এই বৈঠকে কমিটির ৩১ জন সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৯ জন। মহুয়ার যুক্তি প্রসঙ্গে এক বিজেপি সাংসদের বক্তব্য, পেগাসাস ইস্যুতে ডাকা এই বৈঠকে অ্যাটেন্ডেন্স রেজিস্ট্রারে সই তাঁরা কেউই করেননি।

কারণ কংগ্রেস সংসদে এই নিয়ে কথা বলতে দিচ্ছে না। তাঁদের দাবি ছিল, এই কমিটির বৈঠকেও তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে না। যদিও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। ‘বিহারি গুন্ডা’ বিতর্কে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। তারপর কোরামের অভাবে বৈঠক পিছিয়ে যায়।

সুত্র : টিভি ৯

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য