
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় শিলাবতী নদি চরম বিপদ সীমার ০.৫৮ মিটার উপর দিয়ে, কেলেঘাই নদী চরম বিপদ সীমার ০.৭০ মিটার উপর দিয়ে ও কপালেশ্বরী নদী বিপদ সীমা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হাওড়া জেলায় আমতা খাল বিপদ সীমার ০.২৯ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, নদীয়ার ভাগিরথি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।
ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির দরুন দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ নিচু এলাকা এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চল জলমগ্ন ও প্লাবিত হয়ে পড়েছে। আগামী কয়েকদিন এইরকম পরিস্থিতি বজায় থাকবে।
তবে সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি নদীয়া থেকে সরে গিয়ে এখন পশ্চিম বর্ধমান জেলা ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে এর সাথে যুক্ত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা এটি আগামী কয়েকদিনে পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। তাই আজ দুপুরের পর থেকে পূর্বে নদিয়া উত্তর ও দক্ষিণ 24 পরগনা কলকাতা হাওড়া হুগলি পূর্ব বর্ধমান জেলা তে এর প্রভাব আর থাকবে না।
ম্যাসাঞ্জোর জলাধার থেকে ৭,০৬০ কিউসেক, তেনুঘাট জলাধার থেকে ৬,২৯২ কিউসেক, মাইথন জলাধার থেকে ১২,০৩৭ কিউসেক, পাঞ্চেত জলাধার থেকে ২২,২১৫ কিউসেক, মহানন্দা ব্যারাজ থেকে ১,০৮০ কিউসেক, তিস্তা ব্যারাজ থেকে ৭১,০৯৪ কিউসেক, তিলপাড়া ব্যারাজ থেকে ৬,০২৪ কিউসেক এবং দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে ৫১,৮০০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। সমস্ত তথ্য রাজ্য আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে প্রাপ্ত।



