বলিউড

পর্নকাণ্ডে গ্রেফতার রাজ-ঘনিষ্ঠ আরও এক, তদন্তে নয়া মোড়!

Raj Kundra : পর্নকাণ্ডে গ্রেফতার রাজ-ঘনিষ্ঠ আরও এক, তদন্তে নয়া মোড়! - West Bengal News 24

অভিযোগ, অ্যাপের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি বানাতেন ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) গঠন করল মুম্বই পুলিশ। একইসঙ্গে ওই মামলায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হয়েছেন আরও একজন। তাঁর নাম অভিজিত্‍ বোম্বলে। তিনি কুন্দ্রারই একটি কোম্পানির ডিরেক্টর। গত মাসে ২৫ বছরের এক অভিনেত্রী মালভানি থানায় অভিযোগ করেন, কুন্দ্রা তাঁকে পর্নো ফিল্মে অভিনয় করতে বাধ্য করেছেন। তাঁকে বলা হয়েছিল, শর্ট ফিল্মে ও ওয়েব সিরিজে সুযোগ দেওয়া হবে।

সেই সূত্রে কয়েকটি ‘বোল্ড সিন’-এ অভিনয় করতে হবে তাঁকে। কিন্তু বাস্তবে তাঁকে পর্নো ছবিতে অভিনয় করানো হয়। এরপর অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ গ্রেফতার হন। গত মঙ্গলবার রাজের জেলবাসের মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে। মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ আদালতে তাঁর জামিনের বিরোধিতা করে। পুলিশ বলে, রাজ তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। জামিনে ছাড়া পেলে তিনি ফের কোনও অপরাধ করতে পারেন। দেশ থেকে পালানোরও চেষ্টা করতে পারেন। দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের লোভ দেখিয়ে রাজ তাঁর পর্নো ছবিতে অভিনয় করাতেন।

তিনি যদি জেলের বাইরে বেরোন, তাহলে ওই মেয়েরা সাক্ষী দিতে নাও আসতে পারে। এর মধ্যে শিল্পা শেঠি ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে জোচ্চুরির অভিযোগে মামলা করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। লখনউয়ের ওমেক্স হাইটের বাসিন্দা জ্যোত্‍স্না চৌহান এবং রহিত বীর সিং শিল্পা ও তাঁর মায়ের নামে অভিযোগ করেছেন বিভুতিখান্ড ও হজরতগঞ্জ থানায়। দু’টি থানা থেকেই শিল্পাদের নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি টিম মুম্বই গিয়ে জোচ্চুরির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করবে শিল্পা ও তাঁর মাকে।

এফআইআরে বলা হয়েছে, শিল্পা আইওসিস ওয়েলনেস সেন্টার নামে এক সংস্থার চেয়ারম্যান। তাঁর মা ওই কোম্পানির ডিরেক্টর। লখনউতে ওই ওয়েলনেস সেন্টারের শাখা খোলার জন্য শিল্পা দু’জনের থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে শাখা খোলেননি। আইওসিসের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ বাওয়া ইতিমধ্যে ইনস্টাগ্রামে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি বর্তমানে তিনিই ওই সংস্থার চেয়ারম্যান।

শিল্পা ও তাঁর মা কয়েক বছর আগেই কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেছেন। কিরণ বাওয়া মিডিয়ার কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন ‘গুজব’ না ছড়ায়। কিরণ লিখেছেন, ‘আমি আইওসিস সংস্থাটি গড়ে তুলেছি। এই সংস্থা আমার সন্তানের মতো।

আমি খোঁজ নিয়ে দেখব কী হয়েছিল। আমি বিনীতভাবে সকলকে জানাতে চাই, এটা বিচারাধীন বিষয়। বম্বে হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।’ কিরণের দাবি, ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং-এর ফলে তাঁর ব্র্যান্ডের ক্ষতি হচ্ছে। বহু বছর ধরে তিনি ওই কোম্পানির সুনাম তৈরি করেছেন।’

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য