তৃণমূলে ব্যাপক রদবদল, সরানো হল মহুয়া, জ্যোতিপ্রিয়, সুদীপ-সহ আরও অনেককে

আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল। এবার ২০২৪-র লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তাঁরই নির্দেশে সোমবার একাধিক জেলাসভাপতিকে সরানো হয়েছে৷ সেই তালিকাই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সাংসদ মহুয়া মৈত্র-র মতো নেতৃত্ব রয়েছেন৷ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সকলেরই বয়স চল্লিশের নিচে।
এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে বড় রদবদল-সহ জেলাকে সাংগাঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে৷ এরফলে, একাধিক জেলা তৃণমূল নেতৃত্বে নতুন মুখ উঠে এসেছে৷
আরও পড়ুন-২০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ
সব মিলিয়ে এক ডজনেরও বেশি জেলা সভাপতিকে সরানো হয়েছে। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ পর্যন্ত একাধিক নতুন মুখকে পদে বসানো হয়েছে। কলকাতা উত্তরের জেলা সভাপতি তাপস রায়কে করা হয়েছে। রাজবিহারীর বিধায়ক দেবাশীষ কুমারকে দক্ষিণ সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷
রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূরকে মালদা জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে আব্দুর রহিম বক্সীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অরুণাভ সেনকে৷ আর হাওড়া শহরের জেলা সভাপতির পদ থেকে ভাস্কর ভট্টাচার্যকে সরিয়ে কল্যাণেন্দু ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন-এক ধাক্কায় অনেকটা কমল রাজ্যের সংক্রমণ, মৃত্যু শূন্য উত্তর ২৪ পরগনা
উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সরিয়ে নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে সভাপতি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করে ডায়মন্ড হারবার যাদবপুর জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভাশিস চক্রবর্তীকে ও সুন্দরবন সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যোগরঞ্জন হালদারকে।
জলপাইগুড়ি জেলার সভাপতি করা হয়েছে মহুয়া গোপকে। চেয়ারম্যান করা হয়েছে খগেশ্বর রায়কে। দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাপতি হলেন উজ্জ্বল বসাক। বাঁকুড়া জেলাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। হুগলি জেলাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বেশকিছু জেলা সভাপতি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোচবিহার জেলার চেয়ারমান হয়েছেন উদয়ন গুহ।
আরও পড়ুন-সপ্তাহজুড়ে দক্ষিণে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস , আবহাওয়া নিয়ে যা জানাল হাওয়া অফিস…
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মত নদীয়াতেও দুটি সংগাঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। মহুয়া মৈত্রকে সরিয়ে নদিয়া উত্তরের সভাপতি করা হয়েছে জয়ন্ত সাহাকে। আর নদীয়া দক্ষিণের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী রত্না ঘোষ করকে। মুর্শিদাবাদকে দুভাগ করে জঙ্গিপুর সাংগাঠিনক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে খলিলুর রহমান ও বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শাওনী সিংহ রায়কে৷
সূত্র: কলকাতা টিভি



