জাতীয়

সুপ্রিম নির্দেশে ভাঙা পড়তে চলেছে কোটি টাকার টুইন টাওয়ার, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা

সুপ্রিম নির্দেশে ভাঙা পড়তে চলেছে কোটি টাকার টুইন টাওয়ার, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা - West Bengal News 24

কথা ছিল ৯০০ পরিবারের স্বপ্নের আবাসন তৈরি হওয়ার। কিন্তু শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এবার ধ্বংস হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশের নয়ডার উপকণ্ঠে থাকা ৪০ তলার নির্মীয়মাণ দুটি জোড়া বহুতল। নির্মাণের আইন অনুসরণ না করায় সুপারটেক নামক রিয়েল এস্টেট সংস্থার এই দুটি টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই দুটি টাওয়ার মিলিয়ে অন্তত ৯০০ টি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে খবর। এটা ঘটনা বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত এই মামলায় ২০১৪ সালেও একই নির্দেশ দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

এদিন সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশের উপরই সিলমোহর দিল। শীর্ষ আদালতের আজকের রায়ের পর নির্মাণকারী সংস্থা যদিও জানিয়েছে যে এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাবে। কিন্তু এদিন শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং এমআর শাহ যেভাবে তীব্র ভর্ত্‍সনা করেছেন, তাতে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েও লাভ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। দুই বিচারপতিই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অশুভ আঁতাতের জোরে বেআইনিভাবে এই নির্মাণকাজ চলছিল।

আরো পড়ুন : মধ্যরাতে গতির বলি, ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় বিধায়কের ছেলে ও বউমা-সহ ৭ জনের মৃত্যু

যারা এখানে ঘর কিনেছিলেন তাঁদের ২ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ৪০ তলা বিশিষ্ট দুটি টাওয়ার ভেঙে ফেলতে হবে। বহুতল দুটি ভাঙার পুরো খরচই সুপারটেক নামক রিয়েল এস্টেট সংস্থাকেই বহন করতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতিরা।

এটা ঘটনা ৪০ তলার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩২ তলা পর্যন্ত কাজ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি প্রায় ৬৩৩ জন ফ্ল্যাট বুকও করে ফেলেছিলেন। এদের মধ্যে ২৪৮ জন টাকা ফেরত নিয়েছেন, ১৩৩ জন অন্য বহুতলে ফ্ল্যাট নিয়েছেন। কিন্তু ২৫২ জন অপেক্ষা করছিলেন আদালতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসার।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‌দেশজুড়ে ক্রমশই বেআইনি নির্মাণের হার বেড়ে যাচ্ছে। যার দরুণ বহুতলগুলির ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার দিকে পর্যাপ্ত পরিমাণ লক্ষ্যই দেওয়া হচ্ছে না। এই প্রবণতার কড়াভাবে মোকাবিলা করা দরকার।’‌

সূত্র: আজকাল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য