
‘প্রলয়ে’র উত্ক্ষেপণে পাকিস্তান ও চিনের মনে আতঙ্ক জাগাল ভারত। বুধবার একটি স্বল্প পরিসীমার ব্যালিস্টির ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উত্ক্ষেপণ করল ভারত। নয়া ক্ষেপণাস্ত্রের নাম দেওয়া হয়েছে প্রলয়।
এদিন ওড়িশার উপকূলে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষা হয়। এই সাফাল্যের পর টিম ডিআরডিও-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।
ডিআরডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রলয় ৩৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটারের স্বল্প পাল্লারের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ৫০০ থেকে ১০০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত ভার বহন করতে পারে ক্ষেপণাস্ত্রটি। লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান বদল করাও সম্ভব।
মোবাইল লঞ্চার থেকেও এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা যেতে পারে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি পৃথ্বী ডিফেন্স ভেহিকেল প্রোগ্রামের এক্সোঅ্যাটমস্ফিয়ারিক ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
প্রলয়ের সফল উত্ক্ষেপণের পর ডিআরডিওকে টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। টুইটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উত্ক্ষেপণের জন্য টিম ডিআরডিওকে অসংখ্য শুভেচ্ছা জানাই।
দ্রুত আধুনিক সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা ও তার সফল উত্ক্ষেপণের জন্য অভিনন্দন জানাই। আমরা একটি নতুন কৃতিত্ব অর্জন করলাম।’
আরও পড়ুন: ‘ডেল্টার থেকে তিন গুণ দ্রুত ছড়ায় ওমিক্রন
প্রসঙ্গত, কদিন আগেই অগ্নি সিরিজের নয়া মিসাইল ‘Agni Prime’-এর সফল পরীক্ষামূলক উত্ক্ষেপণ করেছে ভারত। ১ থেকে ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম ‘অগ্নি প্রাইম’। নতুন প্রজন্মের হওয়ার দরুন এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি। ফলে অগ্নি-৩-এর থেকে এর ওজন ৫০ শতাংশ কম।
Congratulations to @DRDO_India and associated teams for the maiden development flight trial. My compliments to them for the fast track development and successful launch of modern Surface-to-Surface Quasi Ballistic missile. It is a significant milestone achieved today. pic.twitter.com/woixwxdxjb
— Rajnath Singh (@rajnathsingh) December 22, 2021
ওজনে হালকা হওয়ার ফলে রেল বা সড়ক পথে বিশেষ সামরিক যান থেকে মিসাইলটি ছোঁড়া যাবে। বিশেষ করে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা নৌবহরের বিরুদ্ধে হামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই অস্ত্রটি। এমনটাই মনে করছে দেশের সামরিক বিশেষজ্ঞরা।
সুত্র: সংবাদ প্রতিদিন



