ওপার বাংলা

ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরিয়ে ঢাকায় আসুক – চান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরিয়ে ঢাকায় আসুক – চান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস - West Bengal News 24

সোমবার ভারতীয় বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউনূস। বৈঠকে দু’দেশের সুসম্পর্ককে অটুট রাখার দিকে জোর দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। একই দিনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান। বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরিয়ে ঢাকায় কিংবা অন্য কোনও প্রতিবেশী দেশে স্থানান্তর করা হোক। সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

বাংলাদেশের সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘বাসস’ জানিয়েছে, বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকা বা অন্য কোনও প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সরানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। বাসস অনুসারে, ইউনূস তাঁদের বলেন, “ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সীমিত করায় অনেক শিক্ষার্থী দিল্লি গিয়ে ইউরোপের ভিসা নিতে পারছেন না। ফলে তাদের শিক্ষাজীবন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।” পাশাপাশি, ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও বাংলাদেশের শিক্ষার্থী পাচ্ছে না বলে মনে করছেন তিনি। সেই কারণে তিনি চাইছেন, ভিসা অফিস ঢাকায় কিংবা অন্য কোনও প্রতিবেশী দেশে স্থানান্তর করা হোক। এতে বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয়ই উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সে দেশের তদারকি সরকারের প্রধান।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের সময় উত্তাল পরিস্থিতিতে সাময়িক ভাবে ভিসা দেওয়া বন্ধ রাখে ভারত। যদিও হাসিনা পতনের এক সপ্তাহ পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস থেকে আবার ভিসার জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হয়ে যায়। তবে সীমিত ভাবে ভিসা আবেদন সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়। তার পর থেকে কোনও সময়েই বাংলাদেশির জন্য ভারতের ভিসা পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়নি। বাংলাদেশে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের দূতাবাস থাকলেও সেগুলিতে ভিসা সেন্টারের সুবিধা নেই। এর জন্য নির্ভর করতে হয় দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের ভিসাকেন্দ্র থেকে। একাধিক দেশকে ভিসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসাবে কাজ করে এগুলি। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থাই চলছে। দু’দেশের সম্পর্ক মসৃণ হওয়ার কারণে এ নিয়ে বিশেষ কোনও সমস্যাও হয়নি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button