দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে মহাযজ্ঞে অংশ নিলেন মমতা, দিলেন পূর্ণাহুতি, উড়ল ধ্বজা
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই খুলে যাবে দিঘার “জগন্নাথ মন্দির”-এর দরজা। বুধবার “অক্ষয় তৃতীয়া”র দিন হতে চলেছে মন্দিরের শুভ দ্বারোদ্ঘাটন। তার ঠিক আগের দিন, মঙ্গলবার পূর্বনির্ধারিত সূচি মেনে “মহাযজ্ঞ”-এ অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজ হাতে “পূর্ণাহুতি” দেন, করেন “আরতি”—আর মন্দিরের চূড়ায় উড়ে যায় “ধ্বজা”।
গত রবিবার সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে “পুরীর বিধান” মেনে দিঘার মন্দিরে “প্রাণপ্রতিষ্ঠা”র আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর সোমবার “পাঠ-পুজো” ও “হোমযজ্ঞ” আয়োজন করা হয়। মূল মন্দিরের সামনেই তৈরি করা হয়েছিল একটি অস্থায়ী আটচালা, যেখানে যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। “পুরী” থেকে আগত ৫৭ জন “সেবায়েত” এবং “ইসকন”-এর ১৭ জন “সন্ন্যাসী” এই আয়োজনে অংশ নেন।

সোমবারই দিঘায় পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সূচি অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল “বিশ্বশান্তি” কামনায় আয়োজিত হয় “মহাযজ্ঞ”। ১০০ কুইন্টাল “আম” ও “বেল কাঠ” এবং ২ কুইন্টাল “ঘি” এই যজ্ঞে ব্যবহার করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে “পূর্ণাহুতি” দেন এবং “আরতি”ও করেন। তিনি বলেন, “মা-মাটি- মানুষের জন্য পুজো দিয়েছেন।” তাঁর কথায়, “মা-মাটি-মানুষ ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকব।”
আগামীকাল, ৩০ এপ্রিল “মুখ্যমন্ত্রী”-র উপস্থিতিতে “মন্দির”-এর দরজা উন্মোচন ও “প্রাণপ্রতিষ্ঠা” সম্পন্ন হবে। “পুরী”র “রাজেশ দৈতাপতি” “জগন্নাথ মন্দির”ের নিয়ম অনুযায়ী এই কাজ সম্পন্ন করবেন। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আশেপাশের রাজ্য থেকে বহু ভক্ত আসবেন “দিঘা”য়।
ভিড় সামলাতে বিশেষ “ট্রাফিক ব্যবস্থা” গ্রহণ করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা “ওল্ড দিঘা” থেকে “১১৬ বি জাতীয় সড়ক” ধরে হেঁটে তিন কিলোমিটার পথ পেরিয়ে মন্দিরে পৌঁছতে পারবেন। “নিউ দিঘা বাস ডিপো” থেকে আগত ভক্তরাও “শনিমন্দির” হয়ে হেঁটে মন্দিরে যেতে পারবেন।



