“বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! সাফল্যে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী”
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

রাজ্যের নাগরিকদের জন্য প্রশাসনিক পরিষেবা সহজলভ্য করতে একাধিক উদ্যোগ চালু করেছে রাজ্য সরকার। ‘দুয়ারে সরকার’, ‘পাড়ায় সমাধান’, ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’—এই প্রকল্পগুলি সারা বছর ধরে রাজ্যের নানা প্রান্তে পরিষেবা দিয়ে আসছে। এই উদ্যোগগুলির মধ্যে অন্যতম ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ থেকে এবার মিলল ব্যতিক্রমী সাফল্যের খবর।
শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানান, ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র'(Bangla Sahayata Kendra)-এর মাধ্যমে “ই-ওয়ালেট ব্যবহারে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে খুব অল্প সময়েই”। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, “এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, ডিজিটাল পরিষেবার প্রতি মানুষের আস্থা কতটা বেড়েছে।”
‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’-গুলিতে সাধারণত সরকারি বিভিন্ন পরিষেবার জন্য সার্টিফিকেট প্রদান, স্কলারশিপ আবেদন, স্বাস্থ্য ও আবাসন সংক্রান্ত নানা কাজ করা হয়। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা নেন। নির্দিষ্ট ফি নেওয়া হয়, যা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে।
পরিসংখ্যান বলছে, অল্প সময়েই এই ই-লেনদেনের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। শুক্রবার সেই তথ্য তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী নিজের পোস্টে এই কৃতিত্ব দিয়েছেন বাংলার সহায়তা কেন্দ্রগুলির কর্মীদের। তিনি লেখেন, “তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।” এবং “তাঁদের অভিনন্দন জানাই।”
রাজ্যে আগে যেখানে সরকারি পরিষেবা পেতে নাগরিকদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হত, সেখানে এখন ডিজিটাল মাধ্যমে সহজেই তা সম্ভব হচ্ছে। মানুষের সেই অভিজ্ঞতাই বদলে দিয়েছে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র। এটি নিঃসন্দেহে বাংলায় প্রশাসনিক পরিষেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত—যার মূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক উদ্যোগ ও দূরদৃষ্টি।



