
একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে উপস্থিত হলেন পহেলগাঁওয়ে নিহত বিতান অধিকারীর মা-বাবা এবং অপারেশন সিঁদুরে শহিদ ঝন্টু আলি শেখের পরিবার। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দুই পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, “দলের প্রত্যেক কর্মী ১ টাকা করে দিয়েছেন তাঁদের পাশে দাঁড়াতে।”
গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরন এলাকায় জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান বেশ কয়েকজন নিরীহ পর্যটক। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার পাটুলির বাসিন্দা বিতান অধিকারী। ঘটনার পরে রাজ্য সরকার তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। ২৬ এপ্রিল, মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে ঘোষণা করেন, বিতানের পরিবারকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিতানের বাবার নামে মাসিক ১০ হাজার টাকার পেনশন স্কিম চালু করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার।
অন্যদিকে, কাশ্মীরের উধমপুরে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে শহিদ হন নদিয়ার তেহট্টের বাসিন্দা ঝন্টু আলি শেখ। অপারেশন সিঁদুরে অংশগ্রহণ করেই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন এই বীর জওয়ান। একুশের মঞ্চে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও উত্তরীয় দিয়ে সম্মান জানানো হয় এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়।
এই ঘটনার পর বারবার প্রশ্ন উঠেছে—এতদিন পরেও কেন ধরা পড়ল না হামলাকারী জঙ্গিরা? রাজ্য সরকার ও তৃণমূলের তরফ থেকে কেন্দ্রের কাছে এই বিষয়ে একাধিকবার জবাব চাওয়া হলেও আজও মেলেনি কোনও সুনির্দিষ্ট উত্তর।



