টলিউড

১০ মাসের শিশু কৃষভির ওপর পরিচারিকার নির্যাতন, সব মায়েদের সতর্ক করলেন শ্রীময়ী

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Kanchan Mullick and Sreemoyee Chattoraj : ১০ মাসের শিশু কৃষভির ওপর পরিচারিকার নির্যাতন, সব মায়েদের সতর্ক করলেন শ্রীময়ী - West Bengal News 24

অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ ও বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের জীবনে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। সুযোগ বুঝে তাঁদের দশ মাস বয়সি সন্তান কৃষভিকে মারধর করে গিয়েছিল পরিচারিকা। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়তেই আঁতকে ওঠেন শ্রীময়ী। গত ২৬ আগস্ট এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন তারকা দম্পতি। এরপরই সকল মায়ের উদ্দেশে সতর্কবার্তা শোনালেন শ্রীময়ী।

গত বছরের নভেম্বর মাসে অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে জন্ম নেয় কৃষভি। বয়স এখনও মাত্র ১০ মাস। কিন্তু শিশুর কান্না সহ্য না করেই পরিচারিকা তাকে উপুড় করে শুইয়ে মারধর করে। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটি সামনে আসে। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। কাঞ্চনের বক্তব্য, শুধু তাঁদের সন্তানের জন্য নয়, প্রতিটি মা-বাবারই সতর্ক থাকা উচিত, যাঁরা আয়ার কাছে সন্তান রেখে কাজে বের হন। পাশে দাঁড়িয়ে শ্রীময়ীও জানান, শুধু পরিবারের লোক নয়, আয়া সেন্টারগুলিকেও এ বিষয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ শুধু শিশু নয়, অনেকেই বৃদ্ধ মা-বাবার দেখভালের জন্যও পরিচারিকার ওপর নির্ভর করেন। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদেরও।

শ্রীময়ীর বক্তব্য, “নেতা-অভিনেতার বাড়ি বলে নয়, যে মানুষ কোনও ছোট বাচ্চাকে আঘাত করতে পারে, সে কিন্তু যে কোনও দিন বড় কোনও ঘটিয়ে ফেলতে পারে। কিংবা দাগি আসামি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। অনেকেই কৃষভির ঘটনা শোনার পর থেকে এরকম সমস্যার কথা তুলে ধরছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, আয়ার ভরসায় মা-বাবা কিংবা বাচ্চাকে রেখে যেতে পারছেন না।

আয়া সেন্টারগুলির উদ্দেশ্যে বলব, কারও বাড়িতে আয়া পাঠানোর আগে আপনাদের আগে যাচাই করে নিতে হবে যে, সেই মানুষটি আদতে কেমন? এদের কারও আধার কার্ডের ঠিক নেই তো কারও বা আবার স্বামী বা অভিভাবকের নাম নেই আধারে। কারও চর্মরোগ রয়েছে তো কারও আবার মাথায় উকুন! অনেকে হাইজিন মেনটেন করেন না। কারি কারি টাকা নেওয়ার পরও যদি আপনারা এগুলো না দেখেন, তাহলে কিছু বলার নেই। আগে আমাদের নিজেদের সতর্ক হতে হবে, নইলে প্রশাসন কিছু করতে পারবে না।”

অভিনেত্রীর আরও সংযোজন, “কাঞ্চন কিছু বলুক বা না বলুক, আমি এর আগেও প্রতিবাদ করেছি। ভবিষ্যতেও করব। আমার কাছে কাছের মানুষের জীবনের দাম অনেক বেশি।”

আরও পড়ুন ::

Back to top button