জাতীয়

মায়ের আশীর্বাদে সরকার প্রধান হিসেবে ২৫ বছর, আবেগঘন পোস্টে মোদি

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Narendra Modi : মায়ের আশীর্বাদে সরকার প্রধান হিসেবে ২৫ বছর, আবেগঘন পোস্টে মোদি - West Bengal News 24

আড়াই দশক ধরে দেশের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে থেকে জনগণের সেবা করে চলেছেন তিনি। এই দীর্ঘ পথচলায় ভারতবাসীর আশীর্বাদই তাঁর শক্তি — এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে আবেগভরা পোস্টে নিজের রাজনৈতিক যাত্রার বিশেষ মুহূর্তগুলি ভাগ করে নেন তিনি। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ছবি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের ছবিও পোস্ট করেছেন মোদি। সঙ্গে তুলে ধরেছেন মা হীরাবেনের আশীর্বাদ ও শিক্ষার কথা।

২০০১ সালে কেশুভাই পটেলকে সরিয়ে প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান মোদি। এরপর ২০১৪ পর্যন্ত চার দফায় সেই পদে ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে তিনবার এই পদে আসীন হয়েছেন। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে টানা ২৫ বছরের পথচলায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এক্স অ্যাকাউন্টে মোদি লিখেছেন, “২০০১ সালের এই দিনে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রথম বার শপথ নিয়েছিলাম। ক্রমাগত আশীর্বাদ করার জন্য ধন্যবাদ দেশবাসীকে। সরকারের প্রধান হিসাবে জনগণের সেবার ২৫ বছরে পা দিলাম আমি। ভারতবাসীর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা রইল। এতগুলি বছর ধরে সব সময় চেষ্টা করেছি যাতে আমাদের জীবনযাপন এবং দেশের উন্নতি হয়।”

মোদি আরও উল্লেখ করেন, কঠিন পরিস্থিতিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “ওই বছরেই বড় ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত হয় রাজ্য। তার আগের বছরগুলিতে হয়েছিল সুপার সাইক্লোন, খরা, রাজনৈতিক অস্থিরতা। ওই চ্যালেঞ্জগুলিই মানুষের সেবা করার সঙ্কল্প আরও দৃঢ় করেছিল। প্রাণশক্তি এবং আশা দিয়ে গুজরাট পুনর্গঠনের মজবুত সঙ্কল্প করা হয়েছিল।”

মায়ের আশীর্বাদের প্রসঙ্গেও লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পোস্টে রয়েছে, “যখন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিই, তখন মা দু’টি কথা বলেছিলেন। তা এখনও মনে রয়েছে। তিনি বলেছিলেন— আমি তোমার কাজ খুব বেশি বুঝি না। কিন্তু দু’টি জিনিস চাই। এক, তুমি সব সময় গরিবদের জন্য কাজ করবে। দুই, তুমি কখনও ঘুষ নেবে না।” মায়ের এই উপদেশই আজও তাঁর কাজের প্রেরণা, জানিয়েছেন মোদি।

দেশের প্রশাসনিক সাফল্যের পাশাপাশি অতীত সরকারকেও তুলোধোনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। লিখেছেন, “দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, নীতিপঙ্গুত্বের সমার্থক ছিল ইউপিএ সরকার।” তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে পরিস্থিতি বদলেছে, এবং ভারত এখন দৃঢ়ভাবে উন্নতির পথে এগোচ্ছে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button