জাতীয়

পেঁয়াজ সংকটে হাঁসফাঁস বাংলাদেশ, পাক-চিন নয় সমাধান করলো দিল্লি

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

পেঁয়াজ সংকটে হাঁসফাঁস বাংলাদেশ, পাক-চিন নয় সমাধান করলো দিল্লি - West Bengal News 24

পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও শেষ পর্যন্ত ভরসার জায়গা হয়ে রইল ভারতই। আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে মোট ১৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। সে দেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস সম্প্রতি প্রায় ৫০ জন আমদানিকারককে ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার অনুমতি প্রদান করেছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম লাগামছাড়া। বহু জায়গায় প্রতি কেজির দাম পৌঁছে গিয়েছে ১৫০ টাকার কাছাকাছি, ফলে সাধারণ মানুষের নাজেহাল অবস্থা। বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার নির্দিষ্টভাবে প্রতিটি আমদানিকারককে সর্বাধিক ৩০ টন করে পেঁয়াজ আমদানির ছাড়পত্র দিয়েছে। এই নিয়মে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ধাপে ধাপে ভারত থেকে মোট ১৫০০ টন পেঁয়াজ ঢুকবে সে দেশে।

এর আগে বাংলাদেশ বাণিজ্য ও শুল্ক কমিশন (বিটিটিসি) ভারতে পেঁয়াজ আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছিল। বিকল্প হিসেবে পাঁচটি দেশের নাম প্রস্তাব করা হয় পাকিস্তান, চিন, মায়ানমার, তুরস্ক এবং মিশর। যদিও বাংলাদেশ চিন, তুরস্ক ও মায়ানমার থেকে কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ কিনলেও সেই পরিমাণ নগণ্য। ফলে বাস্তবে ভারতের উপরই নির্ভরতা বজায় রাখতে বাধ্য হল ঢাকা।

ভারতের রপ্তানি হওয়া পেঁয়াজের বড় অংশই যায় বাংলাদেশে। তবে আমদানি কমে যাওয়ার ফলে ভারতের রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। শেষবার ৩০ আগস্ট ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে রফতানি হয়েছিল। বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আমদানি ফের থামিয়ে দিতে পারে ঢাকা এমন জল্পনাও রয়েছে। এরই মধ্যে ছাড়পত্র জারি হওয়ার পর বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা নিচে নেমেছে। যদিও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানির ৩০ টনের সীমা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button