জাতীয়

অল্পের জন্য এড়াল বড় বিপর্যয়, উড়ানের আগেই ‘কাটঅফ’ মোডে ড্রিমলাইনারের জ্বালানি সুইচ

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

অল্পের জন্য এড়াল বড় বিপর্যয়, উড়ানের আগেই ‘কাটঅফ’ মোডে ড্রিমলাইনারের জ্বালানি সুইচ - West Bengal News 24

অল্পের জন্য রক্ষা পেল শতাধিক প্রাণ। পাইলটদের তৎপরতায় আহমেদাবাদের মতো ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো গেল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারে। যে ত্রুটির জেরে গত বছর আহমেদাবাদে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল, প্রায় একই সমস্যার মুখে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার AI 132 উড়ান। তবে স্বস্তির বিষয়, আকাশে ওঠার আগেই বিষয়টি নজরে আসে ক্রুদের। ফলে বড়সড় বিপদ থেকে রেহাই মেলে।

লন্ডনের হিথরো থেকে বেঙ্গালুরু যাওয়ার কথা ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার AI 132 বিমানের। উড়ানের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনের বাঁ দিকের জ্বালানি সুইচ হঠাৎ ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’ মোডে চলে যায়। পাইলটরা ফের সুইচটি ‘রান’ মুডে আনলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার ইঞ্জিন ‘কাটঅফ’ মুডে ফিরে যায়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিমানটিকে গ্রাউন্ডেড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের সুরক্ষাই ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। গোটা বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিজিসিএ-কে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান উড্ডয়নের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে একটি মেডিক্যাল কলেজের উপর। সেই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ। তদন্তে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়, উড়ানের সময় বিমানটি গতি নেওয়ার মুহূর্তেই দু’টি ইঞ্জিনের জ্বালানি ‘কাটঅফ’ মুডে চলে গিয়েছিল। জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিমানের উচ্চতা দ্রুত কমতে থাকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পাইলটরা ইঞ্জিনের জ্বালানি ‘কাটঅফ’ থেকে ‘রান’ মুডে ফেরানোর চেষ্টা করেন। তবে ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। একটি ইঞ্জিন চালু হলেও অন্যটি আর সচল করা যায়নি, ফলে প্রয়োজনীয় ‘থ্রাস্ট’ পাওয়া যায়নি।

এই রিপোর্ট প্রকাশের পরই শুরু হয় বিতর্ক। তার জেরে ডিজিসিএ এয়ার ইন্ডিয়ার সমস্ত বোয়িং ৭৮৭ বিমান খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই এয়ার ইন্ডিয়া তাদের রিপোর্ট জমা দিয়ে জানায়, বোয়িং ৭৮৭ বিমানের জ্বালানি সুইচে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নেই। সে ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে পাইলটদের দিকেই দায় ঠেলার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে ফের একবার বোয়িং ড্রিমলাইনারের ইঞ্জিন সংক্রান্ত সমস্যার ঘটনায় আবারও প্রশ্নের মুখে পড়ছে নির্মাতা সংস্থা।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য