SIR-এ হস্তক্ষেপ মানা নয়, আইন ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা – মমতাকে পালটা নির্বাচন কমিশনের
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রেক্ষাপটে বৈঠক নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এসআইআরের কাজে কোনও রকম হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ খারিজ করে কমিশনের বক্তব্য, “কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রকাশ্যে ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। ইআরও (এসডিও/বিডিও)-দের অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে।”
কমিশনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে AITC প্রতিনিধিদল আজ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে। এসআইআর নিয়ে কিছু বক্তব্য তুলে ধরেন তাঁরা। জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেন এবং ব্যাখ্যা করেন। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে বা আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” একই সঙ্গে কমিশনের অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়করা কমিশনের বিরুদ্ধে এবং বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও হুমকি দিচ্ছেন। বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের উপর কোনও ধরনের চাপ, বাধা বা হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে, বিএলওদের জন্য নির্ধারিত ১৮ হাজার টাকার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৭ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার তিনজন নির্বাচনী তালিকা পর্যবেক্ষককে বদলি করেছে। এই বদলি আদেশ বাতিলের জন্য কমিশন ২৭.০১.২০২৬ তারিখে অনুরোধ জানালেও এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আরও বলা হয়েছে, চারজন কর্মকর্তা (দুইজন ইআরও ও দুইজন এইআরও) এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে এবং ‘জমিদারি আচরণ’-এর অভিযোগও তোলেন তিনি।



