
ডিভোর্সের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন টেলিপর্দার অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়। পঁচিশ সালের জুলাই মাসে সাংবাদিক স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত জানান তিনি। এরপর থেকেই ভ্লগিং এবং নিজের ব্যবসায় আরও বেশি মন দেন অভিনেত্রী। অবশেষে দ্বিতীয়বারের জন্য নতুন দাম্পত্য জীবনে পা রাখলেন সুস্মিতা। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিত মিললেও, বুধবার দুপুরে নতুন স্বামীর সঙ্গে বিয়ের ছবি শেয়ার করে বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি। সেই ছবি নজর এড়ায়নি সায়ক চক্রবর্তীরও। আর তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ‘ইঙ্গিতপূর্ণ শুভেচ্ছা’বার্তা ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা।
মঙ্গলবারই বিয়ের এক ঝলক ছবি শেয়ার করে সুস্মিতা লিখেছিলেন, “মা হতে চেয়েছি বরাবরই। এই একটা ইচ্ছে কখনও মন থেকে মুছে যায়নি। একটা শব্দ শোনার আশা- ‘মা’। আজ ছত্রিশ বছর বয়সে এসে সত্যিই আর কোনও ভনিতা করার সময় নেই। নিজেকে আর মিথ্যে সান্ত্বনা দেওয়ারও শক্তি নেই। বিয়ে করলাম। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো।” যদিও তখন তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করেননি, ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এই খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু বুধবার বিয়ের একাধিক ছবি সামনে আসতেই সব জল্পনার অবসান ঘটে। আর ঠিক সেই সময়ই প্রাক্তন দেওর সায়ক চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে আসে এক ‘মিছরির ছুরি’র মতো শুভেচ্ছাবার্তা।
সুস্মিতার প্রথম পোস্টের বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই সায়ক লেখেন, “ভেবে ভালো লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া। যদিও বর হবে জানতাম না। তবে এবার থামিস প্লিজ। এটাই যেন শেষ বিয়ে হয়।” এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। ২০১৯ সালে গর্ভস্থ সন্তান হারানোর প্রসঙ্গ টেনে এনে পুরনো একটি সাধের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “এবার মা হলে আর নরমাল ডেলিভারির জন্য অপেক্ষা করিস না। শুভেচ্ছা রইল মিসেস দে।”
সায়ক চক্রবর্তীর এই ধরনের ‘ইঙ্গিতপূর্ণ শুভেচ্ছা’বার্তা ঘিরে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তিনি কি আদৌ শুভেচ্ছা জানালেন, নাকি এর আড়ালে প্রাক্তন বউদিকে কটাক্ষ করলেন? অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, যাঁর সঙ্গে সুস্মিতা সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন, তিনি অভিনেত্রীর ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। তবে তাঁর সম্পূর্ণ পরিচয় এখনও সামনে আসেনি।



