জীবন যাত্রা

লকডাউনে জন্ম নিয়ন্ত্রণ রুখতে, বাড়িতে কন্ডোম পৌঁছে দিচ্ছে যোগী প্রশাসন

লকডাউনে জন্ম নিয়ন্ত্রণ রুখতে, বাড়িতে কন্ডোম পৌঁছে দিচ্ছে যোগী প্রশাসন - West Bengal News 24

 

করোনা সংক্রমণ রুখতে ঘরবন্দি সকলে। বাইরে বের হওয়ার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আর এই অফুরন্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে স্বামী স্ত্রীকে অনেক বেশি সময় দিচ্ছেন। ফলে শারীরিক মিলনে ও মেতে উঠছেন তাঁরা। কোথাও কোথাও আবার যৌনতা দম্পতিদের কাছে স্রেফ বিনোদনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আর সেই বিনোদনই সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লকডাউনের সময় দেশে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। সেই ‘বিপত্তি’ রুখতে এবার বাড়ি-বাড়ি কন্ডোম ও জন্মনিরোধক কিট পৌঁছে দিচ্ছে যোগী সরকার।

দেশে দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। আর সেই সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের পথ বেছে নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। বেশিরভাগ সংস্থা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে স্ত্রী বা স্বামীকে অনেক বেশি সময় দিতে পারছেন সকলে। এর জেরে বেড়েছে যৌনতাও। ওষুধের দোকানে কন্ডোমের বিক্রি বেড়েছে শহর অঞ্চলে। কিন্তু গ্রামে কী হবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামে বিনোদলের উপায় কম। ফলে যৌনতায় ডুবে থাকছেন পুরুষরা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে চটুল মেসেজও। ফলে জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া শিকেয় উঠতে চলেছে বলে আশঙ্কার করা হচ্ছে। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকাতে মরিয়া যোগী প্রশাসন।

লকডাউনে কন্ডোম কিনতে বেরিয়ে বাধার মুখে, যুবকের যুক্তিতে তাজ্জব পুলিশ

উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলায় স্বাস্থ্যকর্মী ও আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসছেন কন্ডোম-সহ অন্যান্য জন্ম নিরোধক পণ্য। জানা গিয়েছে, জেলা প্রশাসনের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের কথায়, এটা নতুন কিছুই নয়। গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতার বার্তা দিতে বাড়ি-বাড়ি কন্ডোম পৌঁছে দিয়ে আসা হত। এখনও সেই একই কাজ করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে, বালিয়া জেলার সহকারি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলীন্দর প্রসাদ জানান,’ লকডাউনের মাঝে যৌনতা যে স্বামী-স্ত্রীর কাছে বিনোদনের মাধ্যম না হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে জন্ম্ নিয়্ন্ত্রণ প্রক্রিয়া ধাক্কা খাবে। তাই সরকার তত্‍পর।’ তিনি জানান, ‘লকডাউন চলাকালীন বালিয়া জেলায় ৩০ হাজার কন্ডোম বিলি করা হয়েছে।’ একইসঙ্গে জন্ম নিয়্ন্ত্রণ রুখতে লাগাতার সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।

সুত্র:সংবাদ প্রতিদিন

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য